একুশে বার্তা রিপোর্ট : ঢাকা কাস্টমস হাউজে কমিশনার মোবারা খানমের একশন শুরু হয়েছে। চোরা কারবারিদের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে। ট্যাক্স ফাকি দেয়া অসৎ ব্যবসায়ীরা সটকে পড়ছে।
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ যাত্রীসেবার মধ্যেও ঢাকা কাস্টমস হাউসে বিমানবন্দর ইউনিটে কর্মরত ৫ কাস্টমস কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যাত্রী হয়রানির অভিযোগ ওঠেছে। এ জন্য ৩ জনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে, ২ জনকে হাউজে ক্লোজ করা হয়েছে।
যাত্রীসেবায় ন্যূনতম গাফিলতি বরদাস্ত করা হচ্ছে না। ঢাকা কাস্টমস হাউসের কমিশনার মোবারা খানম ওই তিন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছেন। এরা হলেন- মো. আজিজুল হক, শিমুল চৌধুরী ও আল আমিন। এ ছাড়া একই ঘটনায় এক সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ও এক এসআইকে হাউসের সদর দপ্তরে ক্লোজ করা হয়েছে। কাস্টমস হাউস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ঢাকা কাস্টমস হাউস সূত্রমতে, ১৫ সেপ্টেম্বর বিদেশফেরত এক যাত্রীর ব্যাগ চেকিং করেন বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা। তারা ওই যাত্রীর ব্যাগ খুলে অযথা হয়রানি করেন। ব্যাগ খুলে কয়েকজন চকোলেট নিয়ে খাওয়া শুরু করেন। বিষয়টি দেখে এক যাত্রী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাস দেয়।
এরপর যাত্রীর সঙ্গে অসদাচরণের বিষয়টি এনবিআর কাস্টমস কমিশনারের নজরে আসে। কমিশনার বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে তিন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেন। একইসঙ্গে অপর এক সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ও এক এসআইকে ক্লোজ করে হাউসের সদর দপ্তরে সংযুক্ত করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা কাস্টমস হাউসের কমিশনার মোবারা খানম বলেন, যাত্রীদের সেবা নিশ্চিত করতে আমরা সর্বদা সচেষ্ট। যাত্রী হয়রানির কারণে তিন কর্মকর্তাকে সদর দপ্তরে সংযুক্ত করে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। প্রবাসীরা যাতে সর্বোচ্চ সেবা পান, তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি।
