বেবিচক : অর্থবছরের ৩ মাস পার: এখনও পাস হয়নি ঠিকাদারি কাজের ওয়ার্কসপ্লান

স্টাফ রিপোর্টার : চলতি অর্থবছরের ৩ মাস অতিবাহিত।এখণও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের ( বেবিচক) পাস হয়নি ঠিকাদারি কাজের ওয়ার্কসপ্লান। ফলে ঢাকাসহ দেশের ১৬ বিমানবন্দরের উন্নয়ন ও মেরামত কাজ মুখথুবড়ে পড়ে আছে। কবে নাগাদ ওয়ার্কসপ্লান পাস হবে, কবে নাগাদ ঠিকাদারি কাজ শুরু হবে তা কেউ বলতে পারছে না। স্ব স্ব প্রকৌশল বিভাগ থেকে জুলাইয়ের শুরুতে কাজের ওয়ার্কসপ্লান জমা দেয় হয়েছে, পরিকল্পনা বিভাগের নেতৃত্বে কয়েকদফা মিটিং সিটিং হয়েছে কিন্ত কাজের ওয়ার্কসপ্লান এখনও আলোরমুখ দেখছে না। এর মধ্যে মেম্বার অপারেশন এন্ড প্লানিং পদে গতমাসে রদবদল করা হয়েছে। নতুন মেম্বার অপারেশন এন্ড প্লানিং বেবিচকে যোগদান করেছেন। কিন্ত ঠিকাদারি কাজের ওয়ার্কসপ্লান স্থবির হয়ে আছে। মেম্বার অপস নজরদারি করছেন না ঠিকাদারি কাজের ওয়ার্কপ্লানে। তিনি যত তাড়াতাড়ি এ ব্যাপারে নজরদারি করবেন তত তাড়াতাড়ি কাজের ওয়ার্কপ্লান পাস হবে বলে অনেকে জানান।
মেম্বার অপস একজন অভিঙ লোক, তিনি এর অগে শাহজালালের নির্বাাহী পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছে , প্লানিংয়েও ছিলেন অল্পদিন। এবার আবার তাকে প্রেষণে বেবিচকে মেম্বার অপস করে পাঠানো হয়েছে। তার আগের আমলে শাহজালালসহ বিভিন্ন এয়ারপোর্টে আওয়ামী দোসরদের প্রতিষ্ঠানের নামে লাউন্ঞ, বিঙাপনি সংস্থা, দোকানপাট, হোটেল বরাদ্দ বাতিল না করে নবায়ন করা হয়েছে। কুরিয়ার ব্যবসায়ীদের থেকে আর্থিক সুবিধা নেয়ার  জড়িত থাকার অভিযোগে  সম্পত্তি বিভাগের উপপরিচালক সাধন কুমার মোহন্তকে মেম্বার অপসের কক্ষে অপমান করা হয়েছে, আর এ জন্য সাধনকে চট্রগ্রামে বদলি করা হয়েছে। কিন্ত তার সহয়োগি মিজান- আলামিন এখনও সম্পত্তি শাখায় বহাল।
প্রকৌশল বিভাগ থেকে বলা হচ্ছে, এ বছরে কি কি কাজ করা হবে তার ফিরিস্তি সম্বলিত প্লান প্লানিংয়ে জমা দেয়া হয়েছে। পাস হলে কাজের প্রাক্কলন হবে, কাজ শুরু হবে। উন্নয়ন, মেরামত কাজ চলবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এরইমধ্যে কাজ বেচাকেনা শুরু হয়ে গেছে। পাতি ঠিকাদার থেকে শুরু করে বড় বড় ঠিকাদার প্রতিনিধিরা সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের দ্বারস্থ হচ্ছেন। আর এ জন্য সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা নাকি কমিশন হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে শোনা যায়।
সূত্রমতে গতবছরের কিছু ঠিকাদারি কাজ প্লানিং থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে মাতাব্বরি করছে অডিট বিভাগ, অডিট বিভাগের জাহিদ গং নেতৃত্ব দিচ্ছেন। অডিট বিভাগের রিপোর্টের ভিত্তিতে প্রাক্কলন চালান দেয়া ৭-৮টি টেন্ডার  প্রাক্কলন বাদ দেয়া হয়েছে। এরমধ্যে সিডি-২-এর কাজই বেশি। এ ক্ষেত্রে সিডি-২কে নাকি টার্গেট করা হয়েছে। এগুলো ওয়ার্কস প্লানে উঠাবার জন্য দেনদরবার চলছে। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রকৌশলী জানান, মেরামত কাজের ওয়ার্কসপ্লান লাগে না।
যশোহর এয়ারপোর্টে পৌনে ৪শ কোটি টাকার কাজ করছে মাজেদ এন্ড সন্স : যশোহর বিমানবন্দরে পৌণে ৪ শ কোটি টাকার রানওয়ের উন্নয়নমুলক কাজ করছে মাজেদ এন্ড সন্স। তবে কাজটি দরবেশ বাবার ভাতিজার  কন্সট্রাকশন নিয়ম বর্হিভুতভাবে করছে সাব কন্টাক্টে। তারা ইতিমধ্যেই যশোহরে সাইট অফিস খুজছে। তবে এ কাজে তাদের পূর্ব অভিঙতা নেই বলে জানা যায়। টেন্ডার সিডিউলে কি ঠিকাদারি কাজ সাব কন্টাক্টে করার শর্ত আছে? নাকি কাগজে-কলমে সাব কন্টাক্ট-এর বালাই নেই।