বেবিচক : এডি মুস্তফার ডবল স্ট্যান্ডার্ড : স্টোরের লোক না হয়েও মালেক এমটি স্টোরে দেড়যুগ ধরে বহাল : প্রশাসনের জনবল দিয়ে চলছে স্টোরের কাজ: এক স্টোরে বসে অন্য স্টোরের ইস্টিমেট বানাচ্ছে : ইডি অন্ধকারে!

স্টাফ রির্পোার : বেবিচকের সহকারি পরিচালক (এডি) গোলাম মুস্তফার ডবল স্ট্যান্ডার্ড, এ যেন এক মাথায় দুই টুপি,্ তিনি এক দিকে এডি সেমসু অন্যদিকে এডি এমটির দায়িত্ব পালন করছেন। তার অধীন্থ আ: মালেক স্টোরের লোক না হয়েও গত প্রায় ১৫ বছর ধরে এমটি স্টোরের দায়িত্ব পালন করছেন। তাকে এখান থেকে সরায় এমন সাধ্য কার? এডি গোলাম মুস্তফা এবং মালেকের বাড়ি নাকি একই বংগে। এক অন্যের হিতাকাংক্ষী, শুভাকাংক্ষী, শেল্টারদাতা। এরা মিলেমিশে এমটির নষ্ট গাড়িসমূহের মেরামত, গাড়ির পার্টস কেনাকাটা করে থাকেন। দক্ষ্য টেকনিশিয়ান/ফোরম্যানদের বাইরে বদলি করে রেখে এরা বেবিচকের নষ্ট সব গাড়ি বাইরের পছন্দমত গ্যারেজে গাড়িসমূহ মেরামত করে থাকেন। দুদক এসব নথিপত্র তলব করেছিল। এমটিতে শাহআলম ভুইয়া, মুস্তফা কামাল স্ব স্ব অবস্থানে বহাল।
এ দিকে বেবিচকে এক স্টোরের বসে অন্য স্টোরের ইস্টিমেট, নোট পাস , বাজারদর যাচাই করা শেষাবধি ঘুপচি টেন্ডার প্রক্রিয়া করছে। এর সাথে এক্স ছাত্রলীগের নেতারা কলকাঠি নাড়ছেন। ইডি শাহজালাল এ ক্ষেত্রে অন্ধকারে, কোন স্টোরের কাজ কোন স্টোরের বলে চালিয়ে নেয়া হচ্ছে- তা তিনি বোধগম্য হচ্ছেন না। ফাইলে ওনার আগে ডিডির সই করিয়ে নেয়া হয়েছে।ওনাকে দিয়ে ফাইল সই করিয়ে নেয়া হচ্ছে।
ফাইলের মলাটে লেখা এক স্টোরের নাম ভিতরে অন্য স্টোরের নামের কাজ। এভাবে নাকি প্রায় ২ কোটি টাকার ১০টি ফাইল চলে গেছে, ঘুপচি টেন্ডারের অপেক্ষায় আছে। একটি ফাইল মাত্র ধরা খেয়েছে, সেটা নিয়ে বাজার যাচাই প্রক্রিয়া চলছে, প্রশ্ন ওঠেছে অন্য ১০ টি ফাইল কেন বাজার যাচাই করা হলো না?
জানা গেছে যে, এই সব কাজের নোট, নোটের সই তাদের না, অন্য স্টোরের লোকের সই, ডিডিও তাতে সই করেছেন বলে জানা যায়।
ছাত্রলীগের এক্স নেতা যে স্টোর থেকে অন্য স্টোরের নামে ইস্টিমেট বানানো হয়েছে- সেই স্টোরে বসে আছেন। অতি সম্পতি ওই এক্স ছাত্রলীগ নেতাকে ওই স্টোর থেকে ইডির নির্দেশে বদলি করা হয়েছে। তিনি ডিডির পছন্দের লোক বলে শোনা যায়। বাড়ি একই এলাকায়। এতে আন্ঞলিকতার টান রয়েছে।
এ ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, এক স্টোর বসে অন্য স্টোরের ঠিকদারির কাজের নোট করা, নোট পাস করা ইস্টিমেট করা , বাজারদর যাচাই, টেন্ডার করার প্রক্রিয়া চরম অনিয়ম, অন্যায় ছাড়া কিছু না।