স্টাফ রিপোর্টার : পতিত স্বৈরাচারের ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মাওলানা নূরুল ইসলাম ওরফে নূরু মোল্লার আপন ভাগিনা বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ-বেবিচকের সেমসুর নির্বাহী পরিচালক রেজাউল ইসলাম ফেটে (কারিগরি পরিদর্শন/কেনাকাটা) রানওয়ের সুইপার কেনাকাটায় ৯ দিনের সফরে এখন ইতালীতে ঘুরে এলেন। সাথে গেলেন ইএম-১-এর সহকারি প্রকৌশলী মেহেদী আল মিজান। ইমপ্লাইড ইমপ্রেশনের কর্নধার মতুর্জা তার খরচে এই দুই কর্মকর্তাকে ৯ দিনের সফরে ইতালী নিয়ে যান বলে বেবিচক সূত্রে জানা যায়। গত ডিসেম্বর/২৪ তারা দেশে ফিরেন। বিভিন্ন এয়ারপোর্টের রানওয়ের সুইপার কেনাকাটার জন্য এ ফেট টীম ইতালি গেছেন।
এ সফরে সেমসুর আর কোন কর্মকর্তাকে নেয়া হয়নি। কেনাকাটার সাথে সম্পৃক্ত দুই ডিডি এ যাত্রায় শরিক হননি। এরমধ্যে একজনকে পদোন্নতি দিয়ে পরিচালক করা হয়েছে।
সেমসুতে কোটি কোটি টাকার ট্রলি চেয়ার কেনাকাটায় দুর্নীতি, বিমানের জেট ফুয়েল কেনাকাটায় দুর্নীতির তদন্ত ধামাচাপা পড়েছে বলে জানা যায়।
এসব দুর্নীতির তদন্ত না হওয়া , আওয়ামী দোসর নির্বাহী পরিচালকে বেবিচক থেকে বদলি না করে উল্টো তাকে ফেটে পাঠানো হলো রানওয়ের সুইপার কেনাকাটার জন্য। এ কেনাকাটায়ও দুর্ণীতির কথা শোনা যায়। তদন্ত করলেই থলের বিড়াল বের হয়ে আসবে।
এ দিকে ফেটে সফর করে এসেছেন আওয়ামী দোসর মেম্বার অর্থ ও মেম্বার অপস।
সরকারি খরচে ফেট সফরে সরকারের নিষেধাঙা থাকার পরও বেবিচকে ফেট সফর বন্ধ হয়নি। এতে সরকারের কাড়ি কাড়ি টাকা করছ হচ্ছে।
সহকারি প্রকৌশলী ইএম মাহমুদ হাসান সেলিমও গত মাসে ফেটে বিদেশ ঘুরে এসেছেন।
এ দিকে বেবিচকে আওয়ামী দোসর বলে অভিহিত, যাকে বেবিচক থেকে বদলির জন্য বৈষম্যবিরোধী কর্মচারিরা প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে, ব্যানার টাংগিয়ে প্রতিবাদ করেছে, সাবেক মন্ত্রী পলকের ঘনিষ্ঠ, সরকারের যুগ্ম সচিবকে বেবিচক থেকে নাকি বদলির প্রক্রিয়া চলছে।
গত সরকারের আমলে প্রেষনে নিয়োগ পাওয়া আওয়ামী দোসর প্রশাসন ক্যাডারের দুটি পদে -মেম্বার অর্থ ও মেম্বার প্রশাসন এখনও বহাল, সরকারের ১১ মাস অতিবাহিত হতে চললেও এদেরকে বেবিচক থেকে বদলি করা হচ্ছে না। এরা বেবিচকে জ্যাকে বসেছেন।
সদস্য নিরাপত্তাকে দুই দুইবার বদলির পর তিনি বেবিচক ছেড়ে গেছেন। তিনি নাকি গত সরকারের আমলের পতনের সময় পর্যন্ত যিনি বিমানমন্ত্রী -তার আত্মীয়।
২১ জন আওয়ামী দোসর এখনও বেবিচকে দাপটের সাথে চাকরি করছেন। এদের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগও রয়েছে। গত সরকারের আমলের একজন প্রভাবশালী মন্ত্রীর লোককে কক্সবাজারে বদলি করা হলেও ২১ আওয়ামী দোসর বেবিচকে দিব্যি চাকরি করছেন।
বেবিচকে এখন আওয়ামী দোসররা বিএনপি-জামায়াত সেজে গেছেন।
শাহজালালসহ বিভিন্ন এয়ারপোর্টে আওয়ামী দোসরদের আত্মীয় ও ঘনিষ্ঠদের প্রতিষ্ঠানের নামে লাউন্ঞ, দোকানপাট ,বিঙাপনি বোর্ড বরাদ্দ দেয়া হলেও তা এ সরকারের আমলে বাতিল করা হচ্ছে না। শমী ও মাহফুজের লাউন্ঞ নাকি বরাদ্দ বাতিল করা হয়েছে বলে বেবিচক সূত্রে জানা যায়। আবুল হাসনাত আবদুল্লাহর ঘণিষ্ঠ আওরংগ’র প্রতিষ্ঠানের বরাদ্দকৃত দুটি- অথৈ এন্টারপ্রাইজ ,—- লাউন্ঞ এখনও বরাদ্দ বাতিল করা হয়নি বলে জানা যায়।
এ ব্যাপারে ডিডি এটিএম মাহমুদ জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
