বেবিচক : পাক জংগি কানেকশন: গোয়েন্দা দপ্তরে তলব : পতিত সরকারের বিমান মন্ত্রীর আপন ভাগ্নি জামাই বদলির পরও বেবিচকে বহাল : আওয়ামী দোসররা এখনও বহাল: দুদকে মামলা, আইনি প্রক্রিয়া ভেস্তে যাচ্ছে

স্টাফ রিপোর্টার : বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ– বেবিচকে সহকারি নিরাপত্তা কর্মকর্তা , এভসেক ইন্সট্রাক্টর মুহা. শহিদুল্লাহর বিরুদ্ধে পাক জংগি কানেকশনের অভিযোগে একটি গোয়েন্দা সংস্থা ডেকে নিয়ে জিঙ্ঞাসাবাদ করেছে। তাকে রাজশাহি শাহ মখদুম বিমানবন্দরে বদলি করে বরিশাল বিমানবন্দরে সংযুক্তি করা হয়েছে। ওই কর্মকর্তা দাবি করেছেন যে, ৫ আগস্টের পর টাকার বিনিময়ে শাহজালাল বিমানবন্দর দিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের পালাতে বিরোধিতা করায় বেবিচকের সদস্য (নিরাপত্তা), সাবেক বিমানমন্ত্রী ফারুক খানের আপন ভাগ্নি জামাইর নেকনজরে পড়েন। তাকে বদলি করার পেছনে নাকি শহিদুল্লাহ কলকাঠি নাড়েন। পরে অবশ্য তার বদলি ঠেকে যায়। কিন্ত বলিরপাঠা হন শহিদুল্লাহ।
তার বদলির আদেশে নাকি কর্মকর্তা-কর্মচারিরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তবে সংস্থার চেয়ারম্যান বলছেন, এটা রুটিন বদলি।
এ দিকে বেবিচকে আওয়ামী দোসর এডি প্রশাসন তিরান হোসেন- যিনি আওয়ামী নেতা আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহর পিএসগিরি করেছেন, দুই প্রভাবশালি সদস্য- দুজনই কি-পয়েন্টে বসে আছেন- একজন প্রশাসনের কি-পয়েন্টে, আরেকজন অর্থ’র কি- পয়েন্টে বসে আছেন। এদের নিয়ে গণমাধ্যমে একাধিক রিপোর্ট হলেও তারা বহাল। তারা আবার বোর্ডসভার প্রভাবশালি সদস্য। এদের কথায় চেয়ারম্যান রাজি-খুশি।
শাহজালাল বিমানবন্দরের নির্বাহি পরিচালক ও এভসেক পরিচালক এখনও বহাল, এদেরকে বদলি করা হচ্ছে না। এ ছাড়া ছোটখাট আওয়ামী দোসররাও এখনও বেবিচকে ও বিমানবন্দরে বহাল।
দুদকে মামলা, আইনি প্রক্রিয়া ভেস্তে যাচ্ছে দুই প্রভাবশালি সদস্য’র প্রভাবে। এরা বেবিচকে জেকে বসেছেন। সরকার পতনের পর ২ জন সদস্য বেবিচক থেকে বদলি হলেও বাকি সদস্যরা এখনও বহাল-তবিয়তে। সদস্য নিরাপত্তাকে বদলির পরও কার স্বার্থে বেবিচকে বহাল? অন্যান্য সদস্যদের কেন বেবিচক থেকে বদলি করা হচ্ছে না- এ প্রশ্ন বেবিচকে ঘুরপাক খাচ্ছে। সরকার পতনের পর বেবিচকের ২ জন চেয়ারম্যান রদবদল হলেও ২ প্রভাবশাীল সদস্য প্রশাসন/ অর্থ এখনও বহাল, এদের বদলির দাবি ওঠলেও, ব্যানার টাঙিয়ে প্রতিবাদ করলেও প্রশাসনিক এ্যাকশন নেয়া হয়নি। উল্টো সদস্য অর্থকে যুগ্ম থেকে অতি. সচিব পদে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে এই অন্ত্র্বর্তী সরকারের আমলে। তিনি নাকি রাস্ট্রপতির পিএস দিদারুল আলমের ঘনিষ্ঠ।