বেবিচক : প্রধান প্রকৌশলীর শেষ অফিস কার্যদিবস: সবার থেকে বিদায় : আনুষ্ঠানিক বিদায় অনুষ্ঠান হয়নি

স্টাফ রিপোর্টার : বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ- বেবিচকের প্রধান প্রকৌশলী মো. হাবিবুর রহমানের ২২ মার্চ ছিল লাস্ট কার্যদিবস। তবে ২১/২২ মার্চ সরকারি বন্ধ থাকায় ২০ মার্চ প্রধান প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান সবার থেকে অনানুষ্ঠানিক বিদায় নিয়েছেন। তবে এটা কোন আনুষ্ঠানিক বিদায় নয়।
তার চাকরির মেয়াদ এক্সটেনশন না হলে ২২/২০ মার্চ-ই হবে তার শেষ অফিস কর্মদিবস। এই হিসাব ধরেই তিনি ২০ মার্চ সবার থেকে অনানুষ্ঠানিক বিদায় নিয়েছেন।
তার চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধির ফাইল বিমান মন্ত্রণালয়ে অতি. সচিবের বিবেচনাধীণ। তবে বেবিচকের অফিসিয়াল চিঠির ভাষা কনক্লুশনে অনুরোধের বিষয়টি ভুলে গিয়ে অর্ডারসুচক শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা যায়। এতে নাকি অতি. সচিব মহোদয় অনেকটা নাখোশ।
কে হচ্ছেন পরবর্তী প্রধান প্রকৌশলী? হাবিবুর রহমানের এক্সটেনশন না হলে কে হচ্ছেন বেবিচকের প্রধান প্রকৌশলী তা প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে। যদিও বেবিচক ৪ প্রকৌশলীর নাম প্রস্তাব করে বিমান মন্ত্রণালয়ে দাপ্তরিক চিঠি পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান, শহিদুল আফরোজ, জাকারিয়া, শুভাশিষ বড়–য়া। এরমধ্যে জাকারিয়াকে থার্ড টার্মিনালের পিডি করা হয়েছে। আর বড়–য়ার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল মামলা এবং বিভাগীয় তদন্ত চলছে।
শহিদুল আফরোজ মোস্ট সিনিয়র। প্রধান প্রকৌশলী পদে তিনি ১০ মাস সফলভাবে দায়িত্ব পালন করার পর তাকে সরিয়ে হাবিবুর রহমানকে প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্ব দেয়া হয়। তার (হাবিব) এক্সটেন করার ব্যাপারে দুদকের ৪ টি মামলা চলমান থাকায় গণমাধ্যমে প্রতিবেদনের ঝড় ওঠে। এতে করে মন্ত্রণালয় ও বেবিচক চেয়ারম্যান অনেকটা বিবৃত। একমাত্র বিকল্প সিনিয়র প্রকৌশলী শহিদুল আফরোজ। তার বিরুদ্ধে মামলা থাকলেও বিভাগীয় তদন্তে তা মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। আর যিনি বাদি হয়ে মামলাটি করেছেন দুদকের সেই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত চলমান। গণমাধ্যম রিপোর্ট করেছে দুর্নীতির কাঠগড়ায় দুদক কর্মকর্তা। আর যাকে কেšদ্র করে দুর্নীতির মামলা– সেই জেনারেটর কক্সবাজার বিমানবন্দরে দৃশ্যমান অবস্থায় সার্ভিস দিচ্ছে। অনেকের প্রশ্ন তাহলে দুর্নীতি হলো কি করে? এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে আগামি ৬ এপ্রিল/২৫।