স্টাফ রিপোর্টার : গত ২৭ ডিসেম্বর একুশে বার্তা’র অনলাইন সংস্করণে ‘ বেবিচক : ৭ নির্বাহী প্রকৌশলী ২ তত্বাবধায়ক প্রকৌশলীকে পদোন্নতি’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ভুলবশত তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পদে এএইচএমডি নুরুদ্দিনের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে পদোন্নতির কথা প্রকাশিত হয়েছে। আসলে তা সত্য নয়।
খোজখবর নিয়ে জানা গেছে, ১৫ বছর পরও নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুদ্দিন চৌধুরির ডিপিসি হয়নি এবং তাকে তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি প্রদান করা হয়নি।
তার জুনিয়র নির্বাহী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলামের ডিপিসি হয়েছে এবং তাকে তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। কিন্ত ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ সংক্রান্ত কোন প্রঙাপন জারি করা হয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বেবিচকে একজন দক্ষ ও অভিঙ প্রকৌশলী হিসেবে যার পরিচিতি আছে, বেবিচক কর্মকর্তারাই এ মন্তব্য করেছেন, যিনি থার্ড টার্মিনালের প্রজেক্ট ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সেই এএইচএমডি নুরুদ্দিন চৌধুরি ২২.০১.২০০০ সালে সহকারি প্রকৌশলী হিসেবে বেবিচকে যোগদান করেন। এর ৯ বছর পর ০৭.০১.২০০৯ সালে তাকে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে পদোন্নতি প্রদান করা হয়। এরপর ১৫ বছর কেটে গেছে। তার জুনিয়ররা পদোন্নতি পাচ্ছেন, কিন্ত রাজনৈতিক ট্যাগ লাগিয়ে এবং এসিআর খারাপের দোহাই দিয়ে ১৫ বছর ধরে তার পদোন্নতি আটকে রাখা হয়েছে। ১৫ বছর ধরে বন্ঞনার শিকার প্রকৌশলী নুরুদ্দিন চৌধুরি। তাকে নিয়ে ৩টি ডিপিসি হলেও প্রতিটিতে ‘নেগেটিভ, মন্তব্য করে বৈঠক শেষ করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে জোরালো ভূমিকা রাখছেন আওয়ামী দোসর বলে বৈষম্য বিরোধীদের অভিযোগে অভিযুক্ত, স্বৈচ্ছাচারিতার অভিযোগে গণমাধ্যমে রিপোর্ট প্রকাশিত, বেবিচক প্রশাসনের কি-পয়েন্টে বসা কর্তাব্যক্তি। প্রথম ডিপিসিতে বলা হয়েছিল প্রকৌশলী মিহির বাবুর ডিপিসি না হলে প্রকৌশল বিভাগে আর কারো হবে না, যদিও মিহির বাবু দুদকের মামলার আসামী, দ্বিতীয়বার গ্রেডের দোহাই- পুরনো গ্রেডে পদোন্নতি হবে না, যদিও এ পুরেনো গ্রেডেই অনেকেই পদোন্নতি দেয়া হয়েছে এবং তারা পদোন্নতিকৃত পদে বহাল, ৩য় বার এসিআর খারাপের দোহাই। এ সকল কৌশল তাকে পদোন্নতি না দেয়ার জন্য যথেষ্ট নয় কি?
বেবিচক কর্তৃক ‘তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী’ (সিভিল) পদে পদোন্নতি জৈষ্ঠতার তালিকায় প্রকৌশলী নুরুদ্দিনের নাম ২ নম্বর ক্রমিকে দেখা যায়। মন্তব্য’র ঘরে লেখা হয়েছে, ‘প্রারম্ভিক পদের মেধা এবং পূর্ব পদের জৈষ্ঠতা অনুযায়ী’। ১ নম্বর ক্রমিকে বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী হাবিবুর রহমানের নাম। মো. শরিফুল ইসলামের নাম ৪ নম্বরের তালিকায়। এ তালিকা করা হয়েছে ২০২১ সাল্ ে, তালিকায় স্বাক্ষর করেছেন পরিচালক প্রশাসন।
সূত্রমতে বেবিচকে যারা দীর্ঘদিনের বৈষম্যের শিকার তাদের প্রত্যেকের মোটামোটি ভাগ্য খুলে গেছে, সবার পদোন্নতি হয়েছে, একযোগে ৫৪ জনের পদোন্নতিও হয়েছে, কিন্ত আটকে আছে একমাত্র ১৫ বছর ধরে বৈষম্যের শিকার প্রকৌশলী নুরুদ্দিন চৌধুরি। এক ব্যক্তির একক ক্ষমতায় নাকি তা সম্ভব হচ্ছে না। সংস্থার চেয়ারম্যানও একক সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না বলে শোনা যায়।
সূত্রমতে, এ পদে (তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী) পদোন্নতি প্রাপ্তি অনেকের এসিআরই নাকি খারাপ ছিল ,কারো কারো এসিআর নাকি ছিলই না, পরে বানানো হয়েছে, তাদেরও পদোন্নতি প্রদান করা হয়েছে। আবার কোন এক মহিলা কর্মকর্তার এসিআর দেয়া হয় ডিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার স্বাক্ষরে।
জাকারিয়া-বড়–য়ার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠিত : তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ইএম মো. জাকারিয়া হোসেন এবং শুভাশিষ বড়–য়ার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ তদন্ত কমিটির আহবায়ক হলেন সদস্য এটিএম এবং সদস্য সচিব আইন কর্মকর্তা ও প্রধান প্রকৌশলী। প্রকৌশলী মিহির চাদ দের অভিযোগের ভিত্তিতে এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি কাজ শুরু করেছে বলে জানা যায়।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
