বেবিচক : মসজিদ নির্মাণ কাজ বন্ধ করায় চেয়ারম্যান বরাবর কর্মচারিদের স্মারকলিপি : সদর দপ্তর ও কাওলার স্টাফ কোয়ার্টারের আমবাগানে মসজিদ কমপ্লেক্স নিমার্ণে তালবাহানা, সাবেক চেয়ারম্যানের ভায়রা- রফিক নামের ঠিকাদার কাজ শুরু করলেও তা ভেস্তে গেছে , কমিটি গঠনে চেয়ারম্যানের আদেশ আমলে নিচ্ছেন না মেম্বার এডমিন, গড়িমসি, সাবেক চেয়ারম্যানের আমলে উদ্ধোধন, কার্যাদেশ

স্টাফ রিপোর্টার : বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের- বেবিচক সদর দপ্তর এবং কাওলার স্টাফ কোয়ার্টারের আমবাগানে মসজিদ কমপ্লেক্স নির্মাণ কাজ ভেস্তে গেছে। এ নিয়ে বেবিচক কর্মচারিরা চেয়ারম্যান বরাবর গত ২১ আগস্ট স্মারকলিপি প্রদান করেছে। সাবেক চেয়ারম্যান মফিদুর রহমান মসজিদ দুটোর কাজের উদ্ধোধন এবং প্রশাসনিক অনুমোদন শেষে কাজের ওয়ার্ক অর্ডার প্রদান করেন। যথারীতি নির্মাণ কাজও শুরু হয়। চেয়ারম্যানের ভায়রা এবং রফিক নামের ঠিকাদার নির্মাণ কাজ শুরু করেন। কিন্ত সরকার পরিবর্তনের পর মসজিদ দুটোর নির্মাণ কাজ থমকে যায়। মেম্বার এডমিন এ নিয়ে গড়িমসি করছেন বলে কর্মচারিরা জানান। বেবিচক চেয়ারম্যান এ ব্যাপারে কমিটি গঠনের নির্দেশ প্রদান করলেও মেম্বার এডমিন তা আমলে নিচ্ছেন না। এ নিয়ে বেবিচকের শতাধিক কর্মচারির সাইন সম্বলিত স্মারকলিপি বেবিচক চেয়ারম্যানকে প্রদান করা হয়েছে।
স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, ইসলাম বিদ্ধেষী কতিপয় কর্মকর্তা মসজিদ নির্মাণে বিরোধিতা করছেন এরা স্বৈরাচারের দোসর ও মদদপুষ্ঠ, এরা বেবিচকে এখনও বসে আছে এবং ছড়ি ঘুরাচ্ছে, অন্তর্বর্তী সরকারের ইমেজ নস্যাত করার ষড়যন্ত্রে ল্প্তি। এদেরকে বেবিচক থেকে বদলিও করা হচ্ছে না। ফলে প্রশাসনে গতি আসছে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বেবিচকের প্রশাসনের কি পয়েন্ট থেকে শুরু করে নিচের পর্যায় পর্যন্ত ঘুষখোর-দুর্নীতিবাজরা বসে আছে। এরমধ্যে আওয়ামীলীগ নেতা আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহর পিএস , বেবিচকের সহকারি পরিচালক তিরান হোসেন, কেরানি জাহিদ, রোকন, দুই প্রশাসনিক কর্মকর্তা, এরা একই রুমে বসেন। এদের হাতে কর্মকর্তা-কর্মচারিরা জিম্মি, এদেরকে ঘুষ না দিলে ফাইল নড়েচড়ে না। মধু আছে তো প্রমোশন হচ্ছে, মধু নাই প্রমোশন আটকে আছে, ডিপিিিস পর্যন্ত ওঠছে না। দুদকের মামলার আসামিকেও এরা পদোন্নতি দেবার পায়তারা করছে। আইনগত জটিলতায় তার পদোন্নতি দিতে না পেরে ১০-১২ বছর ধরে পদোন্নতি বন্ঞিতদের পদোন্নতি প্রদান করা হচ্ছে না।
প্রশাসনে কিপয়েন্ট থেকে শুরু নিচের পর্যায় পর্যন্ত কর্মকর্তা-কর্মচারিদের পর্যায়ক্রমে বদলি না করলে বৈষম্যর শিকার অরো বৈষম্যের শিকার হয়ে মানসিক রোগীতে পরিণত হবে বলে অনেকের আশংকা।