স্টাফ রিপোর্টার : শাহজালাল বিমানবন্দরে বিদেশ ফেরত যাত্রীকে মারধরের ঘটনায় দুই নিরাপত্তা কর্মী প্রত্যাহার |
দুর্নীতির অভিযোগ মাথায় নিয়ে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল আগামি অক্টোবর/.নভেম্বরে দ্বিতীয়বার উদ্ধোধনের সিন্ডিকেড নিউজ প্রকাশ- প্রচার চলছে।গণমাধ্যমগুলো ৯৯% কাজ শেষ করার কথা প্রচার করছে। দুর্নীতির দায়ে পিডিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। যাকে আবার পিডির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তার বিরুদ্ধেও দুদক তদন্ত করছে। প্রায় সবার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তাধীণ থাকলেও পদোন্নতি দেয়া হয়েছে, পার ঘাটাতে পড়ে আছে একমাত্র প্রকৌশলী নুরুদ্দিন। তার বিরুদ্ধে দুদকের অভিযোগও নাই, মামলাও নাই, শুধুমাত্র এসিআরের ( বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন) দোহাই দিয়ে পদোন্নতি আটকে রাখা হয়েছে। এর আগে গ্রেড জটিলতায় তার পদোন্নতি আটকে রাখা হয়, মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপে গ্রেড জটিলতার নিরসন হয়েছে। এ ক্ষেত্রে দুই সদস্য’র স্বেচ্ছাচারিতা কাজ করছে বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ।
দুর্নীতিবাজ, মামলার আসামি, জেলখাটা সংখ্যালঘু প্রকৌশলী মিহিরকে সাসপেন্ড করা হয়নি, তাকে মামলার পরও চাকরি করার সুযোগ দেয়া হয়েছে।তিনি আবার চেয়ারম্যান বরাবর ২ তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ইএম জাকারিয়া-বড়–য়ার চাকরি স্থায়ী, পদোন্নতি, ভুতাপেক্ষ তারিখ অনুসরন না করা- ইত্যাকার অভিযোগ এনে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তাধীন প্রকৌশলী জাকারিয়া-বড়–য়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন, তদন্ত কমিটি গঠন করে তদন্ত চলছে।
এ দিকে দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলী মিহির চাকরি ফিরে পেয়ে যেন সোনার হরিণ হাতে পেয়েছেন, ঘুষ ছাড়া তার টেবিল থেকে ফাইল নড়েচড়ে না বলে অভিযোগ ওঠেছে। তিনি শতকরা হিসেবে ঘুষ হাতিয়ে নিয়ে তবেই ফাইল ছাড়েন, আবার অনেক ঠিকাদারের থেকে কাজ দেবার কথা বলে লাখ লাখ হাতিয়ে নিয়েছেন বলেও অভিযোগ।
এ ব্যাপারে জানতে তার মোবাইলে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি। দুর্নীতির মামলা হবার আগেও তিনি বেবিচকের তথ্য ফাসের অভিযোগে চেয়ারম্যান সাকেব ইকবাল খান মজলিসের আমলে সাসপেন্ড হয়েছেন। তিনি আগামি মার্চ/২৫ পিআরএল-এ চলে যাবেন বলে জানা যায়।
শুধু মিহির নয় বেবিচকের টেবিল থেকে ঘুষ ছাড়া ফাইল নড়েচড়ে না। একটি ঠিকাদারি কাজ শেষ করতে প্রায় শত টেবিলে ঘুষ দিতে হয়।এ নিয়ে ইতিপূর্বে গণমাধ্যমে রিপোর্ট প্রকাশের পর কর্তৃপক্ষ নড়েচড়ে বসে।
এ দিকে অর্থ বছরের ৯ মাস অতিবাহিতের পর ঠিকাদারি কাজের ইস্টিমেট পাস হবার পর সংশিষ্ট বিভাগের ইএম/ সিভিল প্রকৌশলীদের রীতিমত ইস্টিমেট বাণিজ্য চলছে। নিদিষ্ট পরিমাণ ঘুষ ছাড়া ঠিকাদাররা ইস্টিমেট পাচ্ছে না বলে অভিযোগ ওঠেছে। আবার কিছু কিছু ইস্টিমেট ছাড়করণ করা হলেও প্রধান প্রকৌশলীর টেবিলে প্রবেশ করছে না বলে শোনা যায়।
