বেবিচক : সেমসুতে পরিচালকের ২টি পদ খালি, এয়ারফোর্স থেকে প্রেষণে পদায়নের প্রক্রিয়া, মন্ত্রণালয়ে আবেদন, প্রশাসন অন্ধকারে : প্রকিউরমেন্টে ফিডার পদ পূর্ন, সিএনএস-এ ফিডার পদ পূর্ন হয়নি

স্টাফ রিপোর্টার : বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ- বেবিচকে সেমসুতে ‘পরিচালকের’ ২টি পদ নিয়ে জোর লবিং-গ্রুপিং বিদ্যমান। এয়ারফোর্স থেকে এ পদে প্রেষণে পদায়নের জন্য প্রক্রিয়া চলছে। আর এ জন্য বেবিচক প্রশাসন অন্ধকারাবস্থায় , মন্ত্রণালয়ে কে বা কারা দাপ্তরিক চিঠি পাঠিয়েছে। কেউ এর দায়দায়িত্ব স্বীকার করছে না। তাহলে এটা কি বেনামি চিঠি! বেবিচকে আবার বেনামি চিঠির কারিগর রয়েছে।
তবে এ পদে কারো ফিডার পদ ( যে পদে কর্মরত সেই পদে ৩ বছর চাকরির বয়স পূর্ন হওয়া) পূর্ন হয়েছে, কারো ফিডার পূর্ন হয়নি। কেউ কেউ চলতি দায়িত্ব পাবার জন্য মন্ত্রণালয়ে তদবির করে বেড়াচ্ছেন। এদের মধ্যে উপপরিচালক (ডিডি) সিএনএস আব্দুল্লাহ কায়সারের নাম সবার মুখে মুখে। প্রশান্ত কুমার সাহাও কম যান না। এদের মধ্যে আবার ডিডি সিএনএস আব্দুল গনি যিনি সিলেট এযারপোর্টে কর্মরত- তিনি সবচে সিনিয়র । আর ডিডি সিএনএস ফয়েজউল্লাহও সেমসুতে কর্মরত।
উপপরিচালক (ডিডি) প্রকিউরমেন্ট করিম মোল্লার ফিডার পদ পূর্ন হয়েছে। এ পদে তার চাকরির বয়স ৪ বছর গুজরান হচ্ছে। পরিচালক প্রকিউরমেন্ট পদে একমাত্র তিনিই যোগ্য। তার কোন প্রতিদ্বন্ধীও নেই। আগামি সপ্তাহে তার ডিপিসি হতে পারে। বৈঠকে তাকে পরিচালক প্রকিউরমেন্ট পদটি কনফার্ম করা হতে পারে।
উল্লেখ্য, তিনি ২০২১ সালে তিনি ডিডি হিসেবে পদোন্নতি পান। তিনি সেমসুতে অদ্যাবধি প্রকিউরমেন্ট সাইট দেখভাল করছেন।
এ দিকে পরিচালক সিএনএস পদের জন্য ৪ জন লবিং করছেন। এদের মধ্যে ডিডি আব্দুল গনি সবচে সিনিয়র। তবে ডিডি আব্দুল্লাহ কায়সার এবং প্রশান্ত কুমার সাহা পরিচালক , সিএনএস চলতি দেয়ার জন্য জোর তদবির করছেন, মন্ত্রণালয় চষে বেড়াচ্ছেন। ডিডি সিএনএস , সেমসু ফয়েজউল্লাহও চুপচাপ তদবির করছেন।
খোজখবর নিয়ে জানা গেছে, পরিচালক, সিএনএস, সেমসু পদটি এয়ারফোর্স থেকে পদায়নের জন্য প্রক্রিয়া চলছে। এ জন্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে, কে আবেদন করেছে, কার দপ্তর থেকে আবেদন করা হয়েছে- তা জানে না বেবিচক প্রশাসন। এ নিয়ে কানাঘুষ চলছে। কেউ কেউ বলছেন, আওয়ামী দোসর, পতিত সরকারের বিমানমন্ত্রী ফারুক খান যাকে পরিচালক সিএনএস হিসেবে শাহজালাল বিমানবন্দরে ১ বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়ে গেছেন- সেই পরিচালক সিএনএস মোশাররফ হোসেনের দপ্তর থেকে মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হতে পারে, আবার চেয়ারম্যানের দপ্তর থেকে আবেদন করা হতে পারে। মোশাররফ হোসেনের বাড়ি গোপালগনজে। অনেকে তাকে গোপালি হিসেবে জানে।
মন্ত্রণালয়ের চিঠির ব্যাপার নিয়ে বেবিচক প্রশাসন অন্ধকারে। প্রশাসন এ ব্যাপারে কিছুই জন না বলে জানা যায়। তবে রেওয়াজ আছে, মন্ত্রণালয়ে কোন দাাপ্তরিক চিঠি পাঠাতে হলে বেবিচক প্রশাসনের মাধ্যমে পাঠাতে হয়।
এ ব্যাপারে জানতে ডিডি সিএনএস , সেমসু আব্দুল্লাহ কায়সারের সেল ফোনে ১৭ ডিসেম্বর ফোন করা হলে তিনি তা রিসিভি করেননি। ১৮ ডিসেম্বর তার সেল ফোনে কল করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করে জানান, আমি চেয়ারম্যান স্যারের সাথে মিটিংয়ে আছি।