স্টাফ রিপোর্টার : বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) থেকে মেম্বার অপস এবং মেম্বার এফএসআরকে বদলির ১০ কার্যদিবস অতিবাহিত হতে চললেও তারা বেবিচকে বহাল। এরা ছড়ি ঘুরাচ্ছেন, পরিচালক মানব সম্পদকে বদলিতে জোরালো ভুমিকা রাখছেন মেম্বার অপস- এমন কথা ওঠছে।
এ দিকে ঢাকার বিমানবন্দরে বিভিন্ন লাউন্ঞগুলো, নিয়ন সাইন, এলইডি আওয়ামী দোসরদের নামে বরাদ্দ নবায়ন করার পর এবার ঢাকার বাইরের বিমানবন্দরগুলোও বাদ যায়নি মেম্বার অপসের নেক নজর থেকে। অনেকস্থানে নিয়ম বর্হিভুতভাবে কোন চুক্তিপত্র ছাড়া মৌখিকভাবে নিয়ন সাইন এবং এলইডি স্থাপন করা হয়েছে। বিমানবন্দরের কর্তব্যরত ব্যক্তিরা অনুমতির কাগজপত্র দেখতে চাইলে মেম্বার অপস আতিকুজ্জামানের মৌখিক অনুমতি আছে বলে ভয় দেখিয়ে মুখ বন্ধ করা হয়েছে । এতে করে বেবিচক হারিয়েছে লাখ লাখ টাকার রাজস্ব।
গত ১ সেপ্টেম্বর বদলির প্রঙাপনে মেম্বার প্লানিং এন্ড অপারেশন (অপস) এয়ার কমোডর আবুল ফজল মোহাম্মদ আতিকুজ্জামানকে বিমান বাহিনীতে ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে। বিমান বাহিনী থেকে এয়ার কমোডর আবু সাঈদ মেহবুব খানকে বেবিচকে মেম্বার প্লানিং এন্ড অপারেশনে বদলি করা হয়েছে।
অন্যদিকে মেম্বার ফ্লাইট স্ট্রান্ডার্ড এন্ড রেগুলেশন্স ( এফএসআর) এয়ার কমোডর শাহ কাওছার আহমদকে বেবিচক থেকে বদলি করে বিমান বাহিনীতে ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে। বিমান বাহিনী থেকে গ্রুপ ক্যাপ্টেন মো. মুকিত-উল-আলমকে বেবিচকে ফ্লাইট স্ট্যান্ডার্ড এন্ড রেগুলেশন্সের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
এ দিকে মেম্বার এডমিন এবং মেম্বার অর্থ এখনও বেবিচকে বহাল। তাদের বদলির জন্য বেবিচক কর্মচারিরা ব্যানার টাংগিয়ে দিয়েছে এবং প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে।
এই অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে আওয়ামী দোসরদের প্রশাসনে যেখানে ওএসডি করার প্রক্রিয়া চলছে সেখানে বেবিচকের মেম্বার অর্থ সরকারের যুগ্ম্ সচিব লাভলু রহমানকে পদোন্নতি দিয়ে অতিরিক্ত সচিব করা হয়েছে। তিনি (মেম্বার অর্থ) সাবেক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ঘনিষ্ঠ, বিমান দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিবের ব্যাচমেট এবং রাষট্রপতির একান্ত সচিব দিদারুল আলমের সাথে সংশ্লিষ্ট বলে জানা যায়।
রাশিদা এখনও যোগদান করেননি ঈশ^রদীতে : এখনও চেয়ারম্যানের আদেশ আমলে নেননি বেবিচক প্রশাসনে কিপয়েন্টে বসা কর্তা ব্যক্তি। ডিডি রাশিদা সুলতানাকে আগলে রাখা হয়েছে। তাকে পাবনার ঈশ^রদীতে যোগদান করার জন্য রাজশাহী বিমানবন্দরের ম্যানেজার দিলারা পারভীন দাপ্তরিক চিঠি দিয়েছেন বেবিচক প্রশাসনে। রাশিদাকে বদলির পর প্রত্যাহার করার জন্য দাপ্তরিক চিঠি ইস্যু করার হলেও কোন মেডিকেল সনদ না দিয়ে কিভাবে ডিডি রাশিা সুলতানা চাকরিতে এখনও বহাল আছেন- তা অনেককে ভাবিয়ে তুলছে। তাকে সাসপেন্ড করা হয়নি, তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলাও করা হয়নি।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
