স্টাফ রিপোর্টার : বেসামরিক বিমান চলাছল কর্তৃপক্ষ- বেবিচকে একযোগে ৫৪ নিরাপত্তা অপারেটরকে পদোন্নতি দিয়ে নিরাপত্তা অধিক্ষক করা হয়েছে। ১৪ অক্টোবর এ সংক্রান্ত এক প্রঙাপন জারি করা হয়েছে। প্রঙাপনে সই করেছেন সহকারি পরিচালক প্রশাসন- এককালের আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহর পিএস, আওয়ামী দোসর তিরান হোসেন। তার ব্যাপারে বেবিচক কর্তৃপক্ষ উদাসীন। তিনি এখনও বেবিচক প্রশাসনে বহাল। এও নাসির-মমিনও প্রশাসনে বহাল।
খোজখবর নিয়ে জানা যায়, সদস্য নিরাপত্তার নেকনজরে ৫৪ জন নিরাপত্তা কর্মীর পদোন্নতি হলো, এরা কেউ কেউ পিআরএল-এ চলে যাচ্ছেন, কারো কারো আজকেই ডিউটি শেষ, স্বাান্তনা যে, শেষ সময়ে তারা পদোন্নতি নিয়ে বাড়ি যেতে পারলেন। তবুও ভাল ডিডি সেলিনার মতো ফেয়ারওয়েল অনুষ্ঠানে পদোন্নতির খবর এলো না।
প্রকৌশল বিভাগে পদোন্নতি বন্ধ : বেবিচকের প্রকৌশল বিভাগে পদোন্নতি বন্ধ। কোন কোন প্রকৌশলী ১০-১২ ধরে একই পদে কর্মরত, এদেরকে পদোন্নতি দেয়া হচ্ছে না। এদের মধ্যে কয়েকজনের ডিপিসি প্রক্রিয়া চলছে। প্রশাসন থেকে বলা হচ্ছে, নির্বাহী প্রকৌশলী মিহির চাদ দে-কে পদোন্নতি না দিয়ে প্রকৌশল বিভাগে কাউকে পদোন্নতি দেয়া হবে না। কিন্ত মিহির দে-তো দুদকের মামলার আসামি, তার পদোন্নতি তো বেবিচক কর্তৃপক্ষ দিতে আইনি প্রক্রিয়ায় পড়ে যাবে। প্রশ্ন ওঠেছে তার পদোন্নতি বন্ধ মানে সবার পদোন্নতি বন্ধ?
এ দিকে ৬ দানবকে এখন ডিডি পদে কনফার্ম করা হয়নি। আওয়ামী দোসররা এখনও বহাল তবিয়তে, এরা এখন বিএনপি মাইন্ডেড হয়ে গেছে।
এক পোস্টিংয়ে সেলিমের দেড়যুগ! অফিসার সেলিম এক পোস্টিংয়ে প্রায় দেড় যুগ ধরে শাহজালালে কর্মরত, তাকে বদলি করা হচ্ছে না, তার খুটির জোর নিয়ে প্রশ্ন ওঠেছে। তাকে আবার সৌদি মসজিদের ক্যাশিয়ার করা হয়েছে। মসজিদে দানবাক্স ফেলে চাদা আদায় করার অভিযোগ ওঠেছে। ট্রলিম্যান ও ভিআিইপি লাউন্ঞ এলআরদের রোস্টার বাণিজ্য করা হচ্ছে। এই এলআররা ভিআইপি দিয়ে সোনা পাচারে সহযোগিতা করে থাকে বলে গোয়েন্দা সংস্থা খতিয়ে দেখছে। এই এলআররা আবার মানব পাচারেও জড়িয়ে পড়ছে বলে জানা যায়। শাহিন নামের এক এলআরের সাথে সেলিমের সখ্যতা রয়েছে বলে জানা যায়। পরিচালক মানব সম্পদ যখন শাহজালালের ডিডি প্রশাসন ইকরামউল্লাহ সেলিমকে প্রশ্রয় দিতেন এমন কথা শোনা যায়। ইমাম আখতারুজ্জামান পিআরএলএ গেলেও তাকে ও তার ছেলেকে দিয়ে গত রমজানে ইমামতি করানো হতো। এই ধারাবাহিকতা নাকি এখনও বিদ্যমান। প্রশ্ন ওঠেছে বেবিচকের চেইনম্যান আখতারুজ্জামানকে কে বা কারা সৌদি মসজিদের ইমামের দায়িত্ব দিলেন?
এ ব্যাপারে তৎকালিন ডিডি প্রশাসন বর্তমানে পরিচালক মানব সম্পদ ইকরাম উল্লাাহ বলেছিলেন, ইমাম আখতারুজ্জামান চলে গেছেন। তবে সেলিমের মসজিদ ক্যাশিয়ারের কথা তিনি স্বীকার করেন।
সেই তৌহিদুল ইসলাম আবার শাহজালালে! শাহজালাল বিমানবন্দরের এক সময়ের দাপুটে নির্বাহী পরিচালক এখন বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে। তিনি আবার শাহজালাল বিমানবন্দরে নজর দিচ্ছেন বলে শোনা যায়। তার সময়ে প্রায় ২ যুগ ধরে পরিচালকের দপ্তরে কর্মরত পিয়ন মতিকে (তার আপন ভাই গার্ড রেজাউল স্বর্ন পাচার করতে গিয়ে ধরা খায়) দোকান বরাদ্দ দিয়ে গেছেন বলে শাহজালালে চাউড় হয়ে যায়। সাংবাদিক কোটায় হোটেল-রেস্টুরেন্ট বরাদ্দ দিয়ে গেছেন। কনক রেস্টুরেন্টটি সাংবাদিক পরিচয়ে প্রভাব খাটিয়ে নবায়নের পর নবায়ন করে চালাচ্ছেন এক সাংবাদিক, ওই সাংবাদিককে বেবিচক সদর দপ্তরে আরেকটি অভিজাত রেস্টুরেন্ট বরাদ্দ দিয়েছে বেবিচক, এ হোটেলটির ডেকোরেশন খরচ প্রায় কোটি টাকা, মাসে বিদ্যুত বিল আসে ৫০ হাজার টাকার মতো, এটি মাত্র ৫ হাজার টাকায় বরাদ্দ দেয়া হয়। তাকে আবার থার্ড টার্মিনালে আরেকটি রেস্টুরেন্ট বরাদ্দ দেয়ার পায়তারা করা হচ্ছে বলে শোনা যায়।ওই হোটেলটির সাথে সাবেক এক বেবিচক চেয়ারম্যানের নিটকজন জড়িত বলেও বেবিচকে চাউড় হয়েছে।
আরেক সাংবাদিক শাহজাললে ২টি দোকানদারি করছেন। ওই সাংবাদিককে ১৭ কোটি টাকার কাজ পাইয়ে দিয়েছেন এক উর্ধতন প্রকৌশলী। ওই প্রকৌশলী এখন প্রধান প্রকৌশলী হবার দৌড়ে আছেন। পত্রপত্রিকায় বেবিচকের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন বলেও শোনা যায়। তাকে ছায়া হিসেবে মদদ দিয়েছে যাচ্ছেন কি-পয়েন্টে বসা প্রশাসনের কর্তাব্যক্তি। আইনি প্রক্রিয়ায় বর্তমান রুটিন প্রধান প্রকৌশলীকে বেবিচক দায়িত্ব দিলেও তা নিয়ে একাধিক পত্রপত্রিকায় রিপোর্ট- বিষয়টি বেবিচক কর্তৃপক্ষকে ভাবিয়ে তুলছে। যদিও বেবিচক কর্তৃপক্ষ প্রধান বলেছেন, নতুন খবর পাবেন। বিষয়টি নিয়ে আমরা ভাবছি।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
