বেবিচক : ৬০ লাখ টাকার দুর্নীতির মামলায় কেন্দ্রবৃত্তে ৯ বছর ধরে জেনারেটর চলছে : গত সরকারের আমলে ৫ ধরে সাসপেন্ড, ওএসডি. আদালতের নির্দেশে বিভাগীয় মামলা শেষ : ১০ মাস রুটিন দায়িত্ব সফলভাবে পালন : বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী ৪ মামলার আসামি : তাকে সরাতে উকিল নোটিশ, বিদেশে পালাতে আদালতের নিষেধাঙ্ঘা : কে হচ্ছেন বেবিচকের পরবর্তী প্রধান প্রকৌশলী?

স্টাফরিপোর্টার : বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ- বেবিচকে মাত্র ৬০ লাখ টাকার জেনারেটর দুর্নীতি মামলায় ৯ বছর ধরে কেন্দ্রবৃত্তে জেনারেটর চলছে, এখনও জেনারেটর চলমান, দৃশ্যমান। এর সাথে জড়িতরা প্রশ্ন তুলছেন তাহলে দুর্নীতি হলো কিভাবে? তাদের দাবি মিথ্যা মামলায় তাদেরকে ফাসিয়ে দেয়া হয়েছে। জেনারেটরের জায়গায় জেনারেটর চলছে, দৃশ্যমান আছে অথচ মামলায় ৯ জনকে ফেসে কালিমার দাগ লেপন করা হয়েছে।
এর সাথে জড়িতদের গ্রেফতার করেছে আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা, জেলে খেটেছেন, জামিনে এসেছেন। বিভাগীয় মামলা আদালতের আদেশে শেষ হয়েছে। আওয়ামীলীগ আমলে এদেরকে ৫ বছর ধরে সাসপেন্ড করে রাখা হয় ওএসডি করা হয়, বর্তমানও একজন দক্ষ, মেধা সম্পন্ন মোস্ট সিনিয়র, ঞ্ঘানী ইনজিনিয়ার শহিদুল আফরোজ – যিনি ১০ মাস বেশ সফলতার সাথে প্রধান প্রকৌশলীর রুটির দায়িত্ব পালন করেছেন। দুদকের মামলার দোহাই দিয়ে তাকে প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে, ওএসডি করে রাখা হয়েছে। ফলে মেধা নষ্ট হচ্ছে, বিমানবন্দর সমূহের উন্নয়ন কাজ থমকে দাড়াচ্ছে।
বর্তমানে যাকে প্রধান প্রকৌশলীর চেয়ারে বসানো হয়েছে তার বিরুদ্ধে দুদকের ৪ মামলা চলমান, তার বিদেশযাত্রায় নিষোঙ্ঘা জারি করেছেন আদালত। তাকে প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্ব থেকে সরাতে আইনি নোটিশ জারি করেছেন ৫ জন আইনজীবী। কিন্ত এরপরও তিনি বহাল, তাকে সাসপেন্ড করা হয়নি, তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলাও করা হয়নি। তাহলে কি কর্তৃপক্ষ আগামি ২৩ মার্চ পর্যন্ত অপেক্ষায় আছেন যে, তিনি পিআরএল-এ চলে যাক। অবশ্য তার চাকরি নবায়নের ফাইলে নাকি সংস্থার চেয়ারম্যান স্বাক্ষর করেননি বলে জানা যায়।
তার দুর্নীতি নিয়ে গত ৪ ফেবরুয়ারিএকদিনে দৈনিক যুগান্তরে সচিত্র ২টি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, পরের দিন ৫ ফেব্রুয়ারি তাকে নিয়ে যুগান্তরে সম্পাদকীয় ছাপা হয়েছে। অন্যান্য পত্রপত্রিকায় তার দুর্নীতি নিয়ে ফলাও করে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হচ্ছে। এ যেন সিন্ডিকেড নিউজ, যে দিকে বৃষ্টি হচ্ছে সেদিকেই যেন ছাতা ধরা হচ্ছে।
খোজখবর নিয়ে জানা যায়, বর্তমান প্রধান প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুদকের ৪টি মামলা হলেও তাকে সাসপেন্ড বা ওএসডি করেনি বেবিচক কর্তৃপক্ষ। এ মামলায় হবার আগে অন্যরা ( সচিব মহিবুল) গ্রেফতার, কয়েকজন পলাতক থাকলেও তাকে গ্রেফতারে হাত বাড়ায়নি আইনশৃংখলা রক্ষাকারি বাহিনী। যদিও এ নিয়ে প্রকাশিত যুগান্তর রিপোর্টে প্রশ্ন তুলা হয়েছে।
এ দিকে ২৩ মার্চ বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী পিআরএল-এ চলে গেলে কে হচ্ছেন সংস্থার পরবর্তী প্রধান প্রকৌশলী। একমাত্র সবেধন নীলমনি  শহিদুল আফরোজ ছাড়া আর কেউ যোগ্য নেই এ পদে বসার। সেক্ষেত্রে মোস্ট সিনিয়র, মেধা সম্পন্ন, ঞ্ঘানী, ১০ মাসের সফলকামি প্রধান প্রকৌশলী শহিদুল আফরোজকে আবার রুটিন দায়িত্ব ফিরিয়ে দেয়া যেতে পারে। এতে সংস্থাও বাচবে, কোন বদনাম হবে না, বিমানবন্দরগুলোর উন্নয়ন  ধাবাহিকতাও বজায় থাকবে। বেবিচক কর্তৃপক্ষ বিষয়টি যত তাড়াতাড়ি ভেবে দেখবেন ততই মংগল।
তাছাড়া আগামি মার্চ/২০২৫ মাসে কক্সবাজার বিমানবন্দরের ৬০ লাখ টাকার দুর্নীতির মামলাটির ফাইনাল রায় হবে বলে জানা যায়।যদিও  চট্রগ্রাম বিশেষ জজ আদালতের জজকে গত ২০ জানুয়ারি/২৫ বদলি করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্ম
কর্ত া  দুদক উপপরিচালক মাহবুবল অালম- যার বিরুদ্ধে দুর্ন ীতির অভিযোগে তদন্ত  করতে ৩ সদস্য তদন্ত কমি টি গঠন করা হয়েছে- তিনি  মামলার সাক্ষ্য দিতে আদালতে  হাজির হচ্ছেন না।এতে মামলার দীর্ঘ সূত্রিতা হতে পারে।

আগামি ২৫.০২.২০২৫ তারিখে আবার তাকে সাক্ষ্যর  জন্য তলব করা হয়েছে।

শহিদুল আফরোজ ছাড়া এই মুহূর্তে বেবিচকে প্রধান প্রকৌশলী হবার যোগ্য কেউ নেই। সিভিল থেকে একজনকে মাত্র ক’দিন আগে তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে কনফার্ম করা হয়েছে, তার ফিডার পদ পূর্ন  হতে ৭ বছর। ইএম-এর একজন বিতর্কত । তাছাড়া তিনি থার্ড টার্মিনালের পিডিগিরি করছেন।
বিকল্প হিসেবে বাইরে থেকে এনে কাউকে প্রধান প্রকৌশলীর চেয়ারে বসালেও অবাক হবার কিছু নেই।