একুশে বার্তা রিপোর্ট : রাজধানীর দক্ষিণখান থানা এলাকার আশকোনা সিরাজ মিয়া রোড, গ্ওায়াইর দক্ষিনপাড়া তেতুলতলা, প্রেমবাগান, সিএিএবির চতুর্থ শ্রেনীর বস্তির আশপাশ, বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন ও সংলগ্ন এলাকা এবং সিএএবির ট্রান্সমিটার রোডে বিভিন্ন ধরনের মাদকের হাট বসে। প্রতিদিন সন্ধার পর এই হাটে বেচাকেনা বেড়ে যায়। দক্ষিণখান থানার পুলিশ প্রোটেকশনে এই মাদকের হাটে এলাকার কেউ কিছু বলতে পারে না। এই মাদকের হাটকে কেন্দ্র দক্ষিণখান থানা পুলিশ প্রতিদিন লাখ টাকার চাদাবজি করছে বলে এলাকাবাসিরা জানান। এই মাদকের হাটের নেশার কবলে পড়ে এলাকার হাজার হাজার উঠতি বয়সের ছেলেরা নেশায় বুদ হয়ে ধ্বংসের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এই মাদকের ছোবল দক্ষিণখান থানা এলাকার আশকোনা, গাওয়াইরে গড়ে উঠা বিভিন্ন আবাসিক হেটেলে সন্ধ্যাার পর মদ-মাগির সমন্বয়ে ককটেল ড্যান্সের আসর চলে। অনেক সময় দক্ষিণখান থানার পুলিশ ওই আসরে মেহমান হয়ে আসে। এলাকবাসিরা জানান , দক্ষিণখান থানা পুলিশের সোর্স ফর্ম সুমনের অত্যাচারে এলাকাবাসি অতিষ্ট। রাতের সময়ে আশকোনা, গাওয়াইর, হজ¦ ক্যাম্প এলাকায় নিরীহ পথচারিদের পুলিশ চেকিং-এর নামে গতিরোধ করে ফর্মা সুমন নিরীহদের পকেটে ইয়াবা বা গাজা ঢুকিয়ে দিয়ে ফাসিয়ে দিয়ে চাদাবাজি করছে। অনেক সময় ফর্মা সুমন পথচারিদের দামি মোবাইল, মানিব্যাগ নিয়ে যাচ্ছে। দক্ষিণখান থানার সিভিল টিমের সংশ্লিষ্ট দারোগার মোটর বাইকের পিছনে বসে ফর্ম সুমন পুলিশের নাকেরডগায় এসব অপকর্ম করে পুলিশকে হাতিয়ার হিসবে ব্যবহার নিরীহদের হয়রানি করে, মামলায় ফাসানোর কথা বলে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার চাদাবাজি করছে। এলাকাবাসিরা আরো জানায়, আশকোনায় ও অন্য এলাকায় বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাট জমজমাটভাবে চলছে। পুলিশি শেল্টারে এ সব হোটেলে ‘টু নাইন্টি’ ব্যবসা জমজমাট। দক্ষিণখান থানা পুলিশ এসব আবাসিক হোটেলে চাদাবাজি করছে ।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
