স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এ দ্বৈত প্রশাসন চলছে।এ যেন প্রশাসনের ভিতর প্রশাসন। উপ-পরিচালক থেকে শুরু করে প্রকৌশলী তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে ।আবার কারো ক্ষেত্রে আপত্তি তোলা হচ্ছে। এতে দ্বৈত প্রশাসনের চিত্র ফুটে উঠেছে।প্রশাসনের ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করছে ।বিষয়টি নিয়ে কানা গোস চলছে। উপ-পরিচালক কাউকে বছরের পর বছর চলতি দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, নির্বাহী প্রকৌশলীর অনেকের চলতি দায়িত্ব দেয়া হয়েছে কিন্তু এর ক্ষেত্রে তত্ত্বাবধায় প্রকৌশলী প্রকৌশলী নিয়ে অযথা ডিলে করা হচ্ছে । ফলে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ই এম ওয়ান, ই এম টু পদে পদায়ন নিয়ে দীর্ঘ একমাস যাবত টালবাহানা করা হচ্ছে। এ পদে জনবল পদায়ন না করায় শাহজালালের ভিআইপি সহ বাইরের সব বিমান বন্দরের কাজে স্থবিরতা বিরাজ করছে, কর্মচারীদের বেতন সিটে স্বাক্ষর না করায় কর্মচারীরা গত এপ্রিলের বেতন ভাতা পাচ্ছেনা। ফলে তারা মানবেতর জীবন যাপন করছে। কিন্তু বেবিচক প্রশাসন নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে ।চলতি দায়িত্তের প্রধান প্রকৌশলী ই এম ওয়ান,
ই এম ওয়ান টু পদে জনবল পদয়নের জন্য সুপারিশ করলেও তা ফাইলে দেওয়া হচ্ছে না। ফলে সমস্ত কাজে স্থবিরতা নেমে এসেছে। ২০২৩ সালের একটি প্রজ্ঞাপনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের এ খেল চলছে। এ খেলা যত তাড়াতাড়ি নিদর্শন করা যায় ততই মঙ্গল।
বেবিচক চেয়ারম্যান এ ব্যাপারে যত দ্রুত দৃষ্টি নিক্ষেপ করবেন ততই মঙ্গল।
