বেবিচক : দ্বৈত প্রশাসন! প্রায় মাস যাবত ইএম-১/২-এর তত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর পদটি খালি, কাউকে পদায়ন করা হচ্ছে না, ভিআইপিসহ জরুরি জনগুরুত্বপূর্নসহ সব কাজে স্থবিরতা, কর্মচারিদের বেতন-ভাতা আটকে যাচ্ছে : ২০২৩ সালের প্রঙাপনের দোহাই, অনিয়ম করে কাউকে কাউকে আবার শূন্যপদের বিপরীতে চলতি দায়িত্ব দেয়া, ৬ মাস পর পর রিভিউ করার নিয়ম, কিন্ত একটানা চলতি দায়িত্ব চলছেই, প্রশাসনের পোদ্দারি : একের মাথায় দুই টুপি পরানোসহ এক প্রকৌশলীকেই ১৬টি বিমানবন্দরের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী করার পায়তারা!

স্টাফ রিপোর্টার : বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ- বেবিচকে প্রকৌশল বিভাগের ইএম-১/২-এ প্রায় মাস যাবত তত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর পদটি খালি, এখনও কাউকে দায়িত্ব দেয়া হয়নি। এর ফলে ভিআইপিসহ জরুরি জনগুরুত্বপূর্ন কাজসহ সব কাজে স্থবিরতা নেমে এসেছে। এ দুই বিভাগে কর্মরত কর্মচারিদের এপ্রিল মাসের বেতনসিটে স্বাক্ষর না করায় বেতন-ভাতা আটকে যাচ্ছে। ডাক ফাইল পড়ে আছে, ঠিকাদারি কাজেও স্থবিরতা। ঠিকাদারসহ সংশ্লিষ্টরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
২০২৩ সালের একটি প্রঙাপনের দোহাই দিয়ে সদস্য প্রশাসন ইএম বিভাগের একজন মোস্ট সিনিয়র প্রকৌশলীকে এ পদে না বসিয়ে এক প্রকৌশলীর মাথায় দুই টুপি পরানোর পায়তারা করছেন বলে জানা যায়। আগামি ৫ মে নাকি তা ফাইনালাইজ করা হবে।
প্রকৌশলী জাকারিয়াকে এ পদ থেকে সরিয়ে প্রধান প্রকৌশলী করায় এ পদটি ১ মাস যাবত শূন্য পড়ে আছে। প্রধান প্রকৌশলী এ পদে সিনিয়র প্রকৌশলী শাহরিয়ার মুর্শেদ সিদ্দিকীকে দায়িত্ব দেয়ার সুপারিশ করলেও তা ফাইলে পুটআপ করা হচ্ছে না। ফলে লাল ফিতায় বাধা আছে ফাইলটি।
এ দিকে ঢাকার বাইরের স্টেশনের সব বিমানবন্দরের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শুভাশিষ বড়–য়াকে ডবল দায়িত্ব প্রদানের পায়তারা করা হচ্ছে। সংস্থার চেয়ারম্যান এ ক্ষেত্রে জোরালো ভূমিকা রাখতে পারছেন না।
সিনিয়র, দক্ষ প্রকৌশলী, ফিডার পদ পূর্ন হওয়া প্রকৌশলীকে ইএম-১/২-এর চলতি দায়িত্ব না দিয়ে একজন তত্বাবধায়ক প্রকৌশলীকে ঢাকাসহ ঢাকার বাইরের মিলে ১৬টি বিমানবন্দরের ইএম বিভাগের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী করারর পায়তারা করা হচ্ছে।
প্রশ্ন ওঠেছে, ২০২৩ সালের প্রঙাপনে যদি শূন্য পদে কাউকে চলতি দায়িত্ব দেয়া— যাবে না–বাধা হয়ে দাড়ায় তাহলে অন্য প্রকৌশলীদের কেন শূন্যপদে চলতি দায়িত্ব দেয়া হলো ? এটা কি অনিয়ম নয়? এর দায় কার ? তাহলে একই সংস্থায় কি দ্বৈত প্রশাসন চলছে ?