একুশে বার্তা রিপোর্ট : শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রফতানি কার্গোতে পানের সাএথ মাদক পাচার, সবজির সাথে ডলার পাচার, চানাচুরর সাতে মাদক পাচার নতুন কোন ঘটনা নয়। এসব পাচার ঘটনা রুখে দিয়েছে কাস্টমস গোয়োন্দারা। এবার আবার গার্মেন্টস পণ্যের সাথে কোকেন সদৃশ্যবস্তু পাঠানোর প্রাক্কালে তা রুখে দিয়েছে গোয়েন্দা সংস্থা। পন্য আটক করে জব্দ করা হয়েছে, পরিক্ষার জন্য মাদকের ল্যাবে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। একনও রফতানিকারাক প্রতিষ্ঠানের কেউ গ্রেফতার হয়নি।
ডুয়েল ভিউ স্ক্যানিং মেশিনে পরীক্ষার সময় বিপুল পরিমাণ কোকেন সদৃশ বস্তু পাওয়া গেছে।
৯ সেপ্টেম্বর বুধবার দুপুরে শাহজালাল বিমানবন্দরের রফতানি কার্গোভিলেজে এ ঘটনা ঘটে। শাহজালাল বিমানবন্দরের পরিচালক তৌহিদ উল আহসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, নেপচুন ফ্রেইট নামের একটি কোম্পানির রফতানি হতে যাওয়া গার্মেন্ট আইটেমের ভেতর পাউডারগুলো ছিল। সকালে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের কর্মকর্তারা এসে বস্তুগুলো পরিক্ষার জন্য নিয়ে গেছেন। কাল তা (বৃহস্পতিবার) ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে।
জানা গেছে, একটি বিদেশি কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে কার্টনগুলো হংকংয়ে যাওয়ার কথা ছিল। আর পরিবহন করার কথা ছিল বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটে।
১০০টি কার্টনের মধ্যে অন্তত ছয়টিতে এগুলো পাওয়া গেছে। কিন্তু রফতানিকারকেরা বলছেন, এগুলো কোকেন না, তাদের গার্মেন্ট আইটেম যাতে নষ্ট না হয়, সেজন্য তারা এই রাসায়নিকগুলো রেখে দিয়েছিলেন।
কার্গোভিলেজে কর্মরত কাস্টমস, সিভিল এভিয়েশন, বিমান কর্মকর্তা-কর্মচারিরা এ ঘটনায় জড়িত কিনা তা গোয়েন্দারা খতিয়ে দেখছে।ইতিপূর্বে এ সব ঘটনার সাথে জড়িত থাকা সন্দেহে তদন্ত করে এবং চেয়ারম্যান বরাবর অভিযোগের পর একজন মহিলা নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে এখান থেকে বদলি করে শাহজালালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তার জায়গায় একজন পুরুষ কর্মকর্তাকে এখানে নিয়ে আসা হয়েছে। ঝোপজার এলাকায় এই কার্গোভিলেজ হওয়াতে ওই কর্মকর্তার মন্তব্য , জংগলেই মংগল।
