বুধবার, ১৭ Jul ২০২৪, ০৯:২৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
বেবিচক : ৩০ জুন চেয়ারম্যানের মেয়াদ শেষ হচ্ছে : পরিচালকের ২টি পদ নিয়ে প্রত্যাসীরা দৌড়ঝাপ পাড়ছেন : একজনের বিরুদ্ধে দুইদফা তদন্ত কমিটি, একটি বাতিল, আরেকটি ১ কার্যদিবসেই রিপোর্ট : চেয়ারম্যানের পিএস- ডিডি প্রশাসনও লড়ছেন

স্টাফ রিপোর্টার : বেবিচকের বর্তমান চেয়ারম্যানের দ্বিতীয় দফা ৬ মাসের নবায়ন ৩০ জুন শেষ হবে। নতুন করে নবায়ন না হলে চেয়ারম্যান চলে যাবেন। এই চেয়ারম্যান দায়িত্বে থাকাবস্থায় পরিচালকের দুটি পদে পদোন্নতি নিয়ে প্রত্যাসীরা লড়ছেন। এরমধ্যে ‘পরিচালক এফসেক’ পদের জন্য একজন নারি ডিডি লড়ছেন। কিন্ত তার এসিআর নিয়ে ইতিমধ্যেই কথা ওঠেছে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে দুই দফা তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, একটি বাতিল করা হয়েছে, দ্বিতীয়টির তদন্ত রিপোর্ট ১ কার্য দিবসে প্রকাশ করা হয়েছে। এরপর এই বিতর্কিত নারী ডিডির ‘পরিচালক’ পদে পদোন্নতির ষোলকলা পূর্ন হতে যাচ্ছে বলে বেবিচকে গুনজন শোনা যাচ্ছে।
আরেকটি পদ হচ্ছে ‘পরিচালক সম্পত্তি’। এ পদে প্রেষনে প্রশাসন ক্যাডারের এক কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করছেন। তাই এ পদ প্রেষনে পূরন হওয়ারই নিয়ম। কিন্ত এ পদের জন্য লড়ছেন চেয়ারম্যানের পিএস/ ডিডি সোহেল মোহাম্মদ কামরুজ্জামান এবং ডিডি ( প্রশাসন) শাহজালাল ইকরামউল্লাহ। এ ২ জনের চাকরি এক দিনে কিন্ত সিনিয়র ইকরামউল্লাহ। এডি থেকে ডিডি পদে পদোন্নতি দেবার সময় সোহেল কামরুজ্জামানকে ইকরাম উল্লাহর থেকে কয়েকদিন আগে পদোন্নতি দেয়া হয়। এ ক্ষেত্রে ইকরামউল্লাহ এবার জুনিয়র হয়ে যান। কিন্ত ইকরাম উল্লাহকে ডিডি পদে পদোন্নতি দিয়ে ফাইলপত্রে এই ‘কয়েকদিন ঠিক করে সমপর্যায়ে আনা হয়। দুজন সমান সমান হয়ে যান। কিন্ত এবার ‘পরিচালক সম্পত্তি’ পদে পদোন্নতিতে সোহেল কামরুজ্জামান লড়াইয়ে এগিয়ে আছেন। কারণ তিনি চেয়ারম্যানের পিএস, এ জন্য চেয়ারম্যানের সানিধ্য তার অগ্রাধিকার। সেটা ইকরামউল্লার পক্ষে গড়ে উঠেনি। তাই এ দুজনের মধ্যে কে পদোন্নতি পেয়ে ‘পরিচালক সম্পত্তি’ হচ্ছেন- তা নিয়ে বেবিচকে জল্পনা-কল্পনা চলছে। তবে সময়ই বলে দেবে কে হচ্ছেন ‘পরিচালক সম্পত্তি’ নাকি প্রেষণেই পদটি পূরণ করা হবে?। ক্রমশ–

এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।