বেবিচক : পোস্টিং ঢাকায় সিডি-১-এ : ১৯ বছর ধরে ‘খালাসি জাকারিয়া’ কক্সবাজার বিমানবন্দরে ভিআইপিতে ডিউটি করছে: পরিচালকের নেকনজর: বাবা পাচারে সিদ্ধহস্ত

স্টাফ রিপোর্টার : বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ-বেবিচকের অধীন কক্সবাজার বিমানবন্দরের ভিআইপিতে টানা ১৯ ধরে ডিউটি করছে ‘খালাসি’ জাকারিয়া, পরিচালক মর্তুজার নেকনজর, বাবা পাচারে সিদ্ধহস্ত গোয়েন্দারা খতিয়ে দেখছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বর্তমান পদ ‘খালাসি’ জাকারিয়া ২০০২ সালে একজন অস্থায়ী ক্লিনার হিসেবে বেবিচকে যোগদান করে। ২০০৬ সালে প্রকৌশল বিভাগ সিভিল ডিভিশন-১-এ বদলি করা হয়, কিন্ত সিডি-১-এ ডিউটি না করে ২০০৬ সাল থেকে টানা ১৯ বছর কক্সবাজার বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউন্ঞে ডিউটি দেয়া হচ্ছে।
২০১৫ সালে জাকারিয়াকে চাকরি স্থায়ীকরণের সময় ক্লিনার পদ থেকে ‘খালাসি’ পদে স্থায়ী করা হয়।
কক্সবাজার বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউন্ঞে অন্য ২ জন ট্রলিম্যান /এলএ কর্মরত থাকলেও এদেরকে ভিআইপিতে ডিউটি দেয়া হয় না। এদেরকে ট্রলি ঢেলার কাজে ব্যস্ত রাখা হচ্ছে।
বিমানবন্দরের পরিচালক মর্তুজা একচ্ছত্রভাবে খালাসি জাকারিয়াকে টানা ১৯ বছর ধরে ভিআইপিতে ডিউটি দিয়ে রেখেছেন। টানা ১৯ বছর কক্সবাজার বিমানবন্দরে পোস্টিং থাকার সুবাধে ‘খালাসি’ জাকারিয়া ইয়াবা পাচারে জড়িয়ে পড়ছে বলে গোয়েন্দা সংস্থা খতিয়ে দেখছে। খালাসি জাকারিয়া পরিচালক মর্তুজার ডানহাত বলে চাউড় আছে। পরিচালককে খালাসি জাকারিয়া মাসে লাখ লাখ টাকার উৎকোচ দিয়ে ভিআইপিতে ডিউটি টিকিয়ে রেখেছেন বলে জানা যায়। এই উৎকোচের টাকার উৎস কোথায়? নিশ্চয়ই খালাসি জাকারিয়া অনৈতিক কাজের সাথে জড়িয়ে পড়েছে, এরমধ্যে কক্সবাজার বিমানবন্দর ব্যবহার করে ইয়াবা পাচারের বিষয়টি গোয়েন্দা সংস্থা খতিয়ে দেখছে।
জানা যায়, ঢাকার সিডি-১-এ একজন খালাসি অবসরে যবার পর ‘খালাসি’ জাকারিয়াকে ওই পদে সিডি-১-এ বদলি করা হয়। কিন্ত গত ১৯ বছর ধরে খালাসি জাকারিয়া সিডি-১-এ ডিউটি করছে না।
কে বড়? বেবিচকে কে বড় ? বেবিচক চেয়ারম্যান না পরিচালক মর্তুজা? কক্সবাজার বিমানবন্দরের পরিচালক মর্তুজাকে বেবিচক চেয়ারম্যানের নির্দেশে দুই দুইবার স্ট্যান্ডরিলিজ করা হলেও তিনি বদলির পরও কক্সবাজার বিমানবন্দরে-ই বহাল। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর আর্শীবাদ মর্তুজার ওপরে বর্ষিত হয়েছে বলে জানা যায়।
একজন মহিলা পরিচালক কক্সবাজার বিমানবন্দরে যোগদানের পর ২ দিন দায়িত্ব পালন করে চলে এসেছেন, তাকে বেবিচক চেয়ারম্যানের দপ্তরে ওএসডি করা হয়েছে।
জানা যায়, ১৭ বছর ধরে সিলেট বিমানবন্দরের পরিচালক হাফিজ বহাল। তার দুর্নীতি নিয়ে গণমাধ্যমে একাধিক রিপোর্ট প্রকাশিত হলেও প্রশাসন নির্বিকার। বেবিচক প্রশাসন তাকে সিলেট থেকে বদরি করছে না।