কোভিড-১৯ চিকিৎসায় ভরসা ম্যালেরিয়া ও আর্থ্রাইটিসের ওষুধ

ডেক্স রিপোর্ট  :  সাধারণ সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্টের ঔষধ দিয়ে চলছে  দেশের বেশিরভাগ করোনা রোগীর চিকিৎসা। পরিস্থিতি বিবেচনায়  রোগীদের দেওয়া হচ্ছে হাইড্রোক্লোরোকুইন (Hydroxychloroquine), রেমডেসিভির (Remdesivir) ও এজিথ্রোমাইসিন (Ayithromycin) ট্যাবলেট।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন একজন রোগী ভিডিও যোগাযোগ মাধ্যমে জানান, সকালে ও রাতে একটি করে এজিথ্রোমাইসিন (Ayithromycin) ট্যাবলেট দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ৪ বেলা নাপা(Napa) খেতে দেওয়া হয়। যাদের প্রচন্ড রকম কাশি রয়েছে তাদের মনটির (Montir 10 mg) এবং শ্বাসকষ্ট রোগীদের ভেন্টিলেশন ও  অক্সিজেন সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে। যমুনা টিভি

ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. আবুল কালাম আজাদ বলেন, করোনার প্রতিষেধক আবিষ্কার না হওয়ায় প্রচলিত কিছু ঔষধ রোগীদের সুস্থ রাখার একমাত্র উপায়। রেমডেসিভির, এজিথ্রোমাইসিন, হাইড্রোক্লরোকুইন রোগীদের জন্য ব্যবহার করছি। এটি মূলত ম্যালেরিয়া ও আর্থ্রাইটিস রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হতো।

তিনি বলেন, করোনায় আত্রান্ত হয়ে যারা ভালো হয়ে গেছেন, যারা সুস্থ্য, তাদের শরীরে কত গুলো এন্টিবডি তৈরি হয়। এই এন্টিবডি অসুস্থ্যদের শরীরে যদি প্রয়োগ করতে পারলে দ্রুত রোগী সুস্থ্য করা সম্ভব এবং মৃত্যু হার কমিয়ে আনা সম্ভব। এর কার্যকারিতা নিয়েও আমরা চিন্তা করছি।

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান জানান,  কয়েকটি দেশের স্টাডিতে এসব ওষুধ ব্যবহার করে কিছুটা ফল পাওয়া গেছে। আমাদের পরীক্ষায়ও যদি ভালো ফলাফল আসে, তখন যেন আমাদের দেশে অ্যাভেইলেবল হয় তার পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে কিছু কোম্পানিকে আমরা অনুমতি দিয়েছি।  হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন, ফ্যাভিপিরাভির ও রেমডেসিভি উৎপাদনের অনুমতি পেয়েছে স্কয়ার ফার্মা, এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস, বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, জিসকা ফার্মাসিউটিক্যালস এবং ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস।

তবে এই কোম্পানিগুলো এই ওষুধ উৎপাদন করে বাজারে বিপণন করতে পারবে না সরকারের যখন প্রয়োজন হবে, তখন গাইডলাইন অনুসারে তা ব্যবহার হবে অথবা ট্রায়াল দেবে।