বিশেষ সংবাদদাতা : আশকোনা হজ ক্যাম্পে দীর্ঘদিন যাবত কর্মরত সহকারি হজ অফিসার মো. আব্দুল মালেককে বার বার বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ধর্ম মন্ত্রনালয়ে সংযুক্তির পর আবার আশকোনা হজ ক্যাম্পে ফেরত এসেছেন। তার খুটির জোর নিয়ে প্রশ্ন ওঠেছে। শুধু তাই নয় এবারের হজ মওসুমে হজ যাত্রীদের সেবার জন্য কর্মচারি কোটায় তাকে সৌদি আরবে পাঠনো হয়েছে। ধর্ম মন্ত্রণায় তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে কোন দুর্নীতির তথ্য খুজে পায়নি বলে তার লোকজন বলে বেড়াচ্ছেন। কিন্ত পৈত্রিক .৫ শতক জমি থেকে আজ রবিশাল শহরে আলিশান বাড়ি করেছেন, হিন্দুদের সম্পত্তি ক্রয় করেছেন।
হজ লাইন্সেসের দালালি, রিপ্লেস বাণিজ্যে তালিকা পাল্টিয়ে ব্যর্থ হজ যাত্রীদের মোয়াল্লেম ফেরতসহ নানাবিধ উপায়ে তিনি অবৈধপথে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়ে বিত্তবৈভবের মালিক বনে গেছেন বলে হজ ক্যাম্পে আলোচিত-সমালোচিত হচ্ছে। কিন্ত মন্ত্রণালয় তা খুজে পাচ্ছে না।
দুর্নীতির অভিযোগে সহকারি হজ অফিসার আব্দুল মালেককে দুইবার ধর্ম মন্ত্রলণালয়ে সংযুক্ত করা হয়। গত ২৯-১০-২০০০ তারিখে প্রথমবার এবং গত ০৭-০৯-২০১৫ তারিখে দ্বিতীয়বার তাকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়। কিন্ত তিনি আবারও আশকোনা হজ ক্যাম্পে বহাল তবিয়তে আছেন।
৩ কোটি ১১ লাখ টাকার দুর্নীতির অভিযোগে কেরানি সুহিলের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা গত ৬ মাসে করা হয়নি। কেন পরিচালক হজ তার বিরুদ্ধে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কর্মকর্তার নির্দেশের পরও বিভাগীয় মামলা করছেন না- তা প্রশ্ন হয়ে দাড়িয়েছে। বরং দুর্নীতিবাজদের আশ্রয়-প্রশ্রয় শেল্টার পাবার কথাও শোনা যায়।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
