স্টাফ রিপোর্টার : বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ-বেবিচকে দেশের প্রধান বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন বিমানবন্দরে প্রকৌশল বিভাগের কোটি কোটি টাকার বড় বড় সিভিল প্রকল্পের কাজ চলমান। প্রকল্পগুলো মুখথুবড়ে পড়ার অবস্থা। ইতিমধ্যেই বেবিচকে প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্ব নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। বর্তমান প্রধান প্রকৌশলীর পিআরএল গত ২৩ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে। প্রধান প্রকৌশলী নিয়োগ নিয়ে মন্ত্রনালয় থেকে শুরু করে বেবিচক সদর দপ্ত পর্যন্ত আলোচনা-সমালোচনা চলছে। বেবিচক থেকে মন্ত্রণালয়ে ৪ প্রকৌশলীর নাম প্রস্তাব তালিকা করে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ২ জন ইএম-এর প্রকল্পের প্রকৌশলী রয়েছেন। স্বভাবতই ইএম-এর এ ২ জন সিভিল কাজের ব্যাপারে দক্ষ না। অথচ কোটি কোটি টাকার কাজ সিভিল ডিভিশন্।ে কিন্ত তারপরও প্রকল্পের প্রকৌশলী ইএম থেকে প্রধান প্রকৌশলী করার পায়তারা করা হচ্ছে। আর এটা করা হলে বেবিচকে সিভিল প্রকৌশলীরা- এটা মেনে নেবেন না বলে শোনা যায় , এতে করে বেবিচকে অস্থিরতা বিরাজ করতে পারে।
বেবিচকের ইতিহাসে এ পর্যন্ত ইএম থেকে মাত্র ২ জন প্রকৌশীকে প্রধান প্রকৌশলী করা হয়।্ তাও রাজনৈতিক প্রভাবে।
সিভিল ও ইএম ডিভিশন বহমান। সিভিল ডিভিশনের শতকরা ৮০ ভাগ কাজ আর ইএম-এর মাত্র ২০ ভাগ। সিভিল ডিভিশনের তদারকির পর একটি বিল্ডিং সম্পন্ন হবার পর সেই বিল্ডিংয়ে ইএম-এর কাজ শুরু হয়। ইএম-ওয়ালারা কিন্ত বিল্ডিং করতে পারবে না। এদের কাজ হলো ভবন নির্মাণের পর পর বৈদ্যুতিক কাজকরণ। অবশ্য ভবন চলমান অবস্থায় বৈদ্যুতিক ওয়ারিং-এর পাইপিং কাজ করতে হয় ইএম-ওয়ালাদের। বাকি কাজ ভবন সম্পন্ন হবার পর পর।
এ ক্ষেত্রে ইএম-এর প্রকৌশলীরা বেবিচকে চলমান কোটি কোটি টাকার বড় বড় সিভিল প্রকল্প কাজে কি দক্ষ? এতিমধ্যেই এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। অথচ বেবিচক কর্তৃপক্ষ ইএম থেকে প্রকল্প প্রকৌশলীদের নাম প্রস্তাব করে মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে থেকে ইএম-এর একজন অদক্ষ প্রকৌশলীকে প্রধান প্রকৌশলী করার পায়তারা করছে। কলকাঠি নাড়ছেন বেবিচকে ঘাপটি মেরে বসে থাকা আওয়ামী দোসররা। এরা বড় বড় আওয়ামী নেতাদের ঘনিষ্ঠ বলে কথা ওঠছে।, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘুরপাক খাচ্ছে- কে শেখ হেলালের লোক, কে ওবায়দুল কাদেরের লোক, কে পলকের খালাত ভাই, আর কে ফারুক খানের ভাগ্নি জামাই।
শেষ পর্যন্ত ইএম থেকে প্রধান প্রকৌশলী করা হলে বেবিচকে সিভিল প্রকৌশলীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করতে পারে। কারণ সংখ্যালঘু প্রকৌশলী সিভিল ডিভিশনের। হাতেগোনা ইএম বিভাগের।
বেবিচকে মোস্ট সিনিয়র প্রকৌশলী শহিদুল আফরোজ, যিনি ১০ মাস সফলভাবে প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্ব পালন করেছেন। তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমুলকভাবে মামলা হলেও বেবিচকের আভ্যন্তরীণ তদন্তে তা মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। আর এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তাও এখন দুদকের কাঠগড়ায়। তার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করে দুদক তদন্ত করছে। কাজেই মন্দের ভাল শহিদুল আফরোজকে এবারও আবার প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্ব দেয়া হলে বেবিচকও বাচল, বড় বড় প্রকল্পও যথাসময়ে সম্পন্ন হলো। তবে এটা সম্পূর্নই কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত নেবার বিষয়।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
