আজ ১৯ নভেম্বর ২০১৮ ইং সালের সোমবার একুশ শতকের কাগজ ‘একুশে বার্তার’ অনলাইন সংস্করণের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। এ উপলক্ষে ‘একুশে বার্তা’র ঢাকা কার্যালয়, দেওয়ান ভবন, হোল্ডিং নং-০৮, বরুয়া পূর্বপাড়া, খিলক্ষেত, ঢাকায় বাদ আসর এক মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত মিলাদ মাহফিলে ‘একুশে বার্তা’র প্রধান উপদেষ্টা, বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, রাজনীতিতে যার ক্লিন ইমেজ, খিলক্ষেত থানা আওয়ামীলীগের পর পর দুইবারের সভাপতি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। বিশিষষ্ট ব্যবসায়ী মুন খানসহ, সাংবাদিক, কলাকুশলি, পাঠক, শুভ্যানুধ্যায়ীসহ সংশ্লিষ্ট সকলে উক্ত মিলাদ মাহফিলে উপস্থিত থেকে ‘একুশে বার্তা’র শুভ কামনা করবেন।
একুশ মানে স্বাধীনতা, স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের স্বকীয়তা, ৫২’র একুশে ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের সূচনাপর্ব, ভাষা আন্দোলন এবং পরবর্তীতে এরই ধারাবাহিকতায় ৭১’ সালে ৯ মাস রক্তক্ষয়ী মুক্তি সংগ্রামের মধ্যদিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়Ñএ সবই একুশে ফেব্রুয়ারীকে কেন্দ্র করেই। আর সেই একুশের নামেই একুশ শতকের কাগজ শ্লোগানে ‘একুশে বার্তা পত্রিকাটির জন্ম ২০০৩ ইং সালে। আতুরঘরেই পত্রিকাটির মাথায় আঘাত করা হয়। ২০০৫ সালে তৎকালিন জোট সরকার পত্রিকাটির ডিক্লারেশন বাতিল করে দেয়। উচ্চ আদালতে রিট মামলা করা হয়। রিট মামলায় স্থগিতাদেশ না দিয়ে উচ্চ আদালত পত্রিকাটি শুনানির তালিকায় রাখেন। শুনানি করতে করতে দীর্ঘ ১১ বছর লেগে যায় । পরে ২০১৬ সালের সেই ভাষা আন্দোলনের মাসেই উচ্চ আদালত থেকে ‘একুশে বার্তা’ পত্রিকাটি পুন: প্রকাশের আদেশ দেয়া হয়। সেই থেকে পত্রিকাটি পুনরায় নব উদ্যোমে অফ লাইন এবং অনলাইনে সমানভাবে চলছে। অফ লাইনে পত্রিকাটির বয়স ১৪ বছর অতিকান্ত করে ১৫ বছরে পা দিয়েছে। আর অনলাইন একবছর পার করে দ্বিতীয় বছরে পা দিয়েছে ‘একুশে বার্তা’। আজ ১৯ নভেম্বর ২০১৮ ‘একুশে বার্তা’র অনলাইন সংস্করণের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী।
বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ আলহাজ্ব কেরামত আলি দেওয়ান ‘একুশে বার্তা’ পত্রিকাটির হাল ধরেছেন। তার রাজনৈতিক ও ব্যক্তি ইমেজে ‘একুশে বার্তা’ পত্রিকাটি দিন দিন তার কলেবর বৃদ্ধি পাচ্ছে, শোভা পাচ্ছে পাঠক মহলে। পাঠক মহলসহ সংশ্লিষ্ট মহলে এই ‘একুশে বার্তা’ পত্রিকাটি আলহাজ্ব কেরামত আলির পত্রিকা হিসেবেই জানে বা চেনে। তিনিও ‘একুশে বার্তা’ পত্রিকার জন্য নিবেদিত প্রাণ। সময় পেলেই তিনি এ পত্রিকা নিয়ে ভাবেন, চিন্তা করেন পত্রিকটি পাঠকমহলে কিভাবে আরো জনপ্রিয় করা যায়।
একটি পত্রিকা মানে হাতির খোরাক। বিঙাপন বাবদ এ পত্রিকা থেকেই ইনকাম নেই বললেই চলে। তারপরও পত্রিকাটির প্রকাশনা অব্যাহত রয়েছে। আর এর পেছনের মানুষটি আলহাজ্ব কেরামত আলি দেওয়ান। তিনি বাব-দাদার সম্পত্তি বিক্রি করে যেমন রাজনীতি করেন ঠিক তেমনই তিনি নিজের পকেটের টাকা খরচ করে পত্রিকাটি বাচিয়ে রেখেছেন।
ইতিমধ্যেই ‘একুশে বার্তা’ পত্রিকাটি পাঠক মহলে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। প্রতিদিন অনলাইনে কয়েক হাজার পাঠক এ পত্রিকায় নজর রাখছেন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অনেক সংবাদ প্রকাশের পর প্রশাসন তা যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছে। বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল প্রশাসন এবং বাংলাদেশ বিমানসহ বিভিন্ন প্রশাসনের বিশ্লেষণমুলক প্রতিবেদন প্রকাশের পর কর্তৃপক্ষ তার যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিয়েছেন। তবে ‘একুশে বার্তা’ পত্রিকাটি কারো তাবেদারি করে না। সিভিল এভিয়েশন প্রশাসনে ‘একুশে বার্তা’ পত্রিকাটির আলোচনা-সমালোচনায় মুখর। মাসিক সমন্বয়সভায় এজেন্টা হিসেবে এই পত্রিকায় সত্য প্রতিবেদন প্রকাশের পর আলোচনায় চলে আসে। শুভদিনে পত্রিকাটির জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের আশীষ কামনা করছি।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
