স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত : ৩০ ডিসেম্বর গণতন্ত্র হত্যা দিবস ও আগামী বছর স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী পালন করবে বিএনপি

নিউজ ডেক্স : ২১ ডিসেম্বর  শনিবার সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে এ কর্মসূচির ঘোষণা করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বলেন, আগামী ৩০ ডিসেম্বর সেই কলঙ্কজনক নির্বাচন।যা বাংলাদেশের রাজনীতিক জীবনের সবচেয়ে বড় একটি কলঙ্ক বলে আমরা মনে করি।সে দিন মানুষের অধিকারকে হরণ করেছে। তাই সেই দিনটিকে গণতন্ত্র হত্যা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এই দিনটি যথাযোগ্য গুরুত্বের সাথে পালন করার জন্য জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট, ২০ দলীয় জোট এবং বিএনপি তারা তাদের কর্মসূচি গ্রহণ করবেন।

তিনি আরো বলেন, আগামী বছর স্বাধীনতার অর্ধশত বর্ষ। এ অর্ধ শত বাষির্কী বিএনপি যথাযোগ্য মর্যদার সাথে পালন করবার লক্ষ্যে একটি উপ কমটি গঠন করা হয়েছে। যে উপ কমিটি সারা বছর ধরে কর্মসূচি গ্রহণ করবে। এতে আহবায়ক করা হয়েছে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে, সদস্য করা হয়েছে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান খান এবং সেলিমা রহমানকে।

ভারতীয় লোক সভায় নাগরিক সংশোধনী আইন এবং এনআরসি ইসুতে বাংলাদেশ এবং বিএনপিকে জড়িয়ে যে ধরনের উক্তি করা হয়েছে পার্লামেন্টে সে বিষয়ে আগামীকাল বিকেল ৩ টায় একটি সংবাদ সম্মেলন করা হবে। সেখানে আমাদের বক্তব্য আমরা তুলে ধরবো।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের দলের চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ এবং তার চিকিৎসার জন্য আমরা আইনগত যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলাম, যে জামিন তার প্রাপ্য সেটা তাকে না দেয়ায় ইতিপূর্বে আমরা আমাদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছি, আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছি এবং অবিলম্বে তাকে মুক্তি দেয়ার জন্য জোর দাবি জানানো হয়েছে।তার মুক্তির জন্য মুক্তির জন্য একটি কার্যকরী আন্দোলন গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন, দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আগামী ১৯ জানুয়ারি স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী। জন্মবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করার জন্যে দলের যারা দায়িত্বে রয়েছে তাদেরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এবং যথাযোগ্য মর্যাদায় দিনটি  পালন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।