ফলোআপ : স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ: মামলা করলেন বেবিচক সদস্য প্রশাসন

একুশে বার্তা রিপোর্ট : স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগে আইনের দ্বারস্থ বেবিচক সদস্য প্রশাসন। ‘ভুয়া চুক্তিনামা’ তৈরি করে মানহানির চেষ্টায় বিমানবন্দর থানায় মামলা দায়ের করেছেন বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদস্য (প্রশাসন)। অতিরিক্ত সচিব, বেবিচক সদস্য প্রশাসন এস এম লাবলুর রহমানের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া চুক্তিনামা ও সম্মতিপত্র তৈরির অভিযোগে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এ নিয়ে এ‘কুশে বার্তা’র অনলাইনে গত ২১ জুন ‘বেবিচক সদস্য প্রশাসনকে নিয়ে অপপ্রচার’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

জানা যায়, সোমবার (২২ জুন) সকালে বেবিচক সদস্য প্রশাসন ডিএমপির বিমানবন্দর থানায় মামলাটি করেন। বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান তালুকদার মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, এস এম লাবলুর রহমানকে প্রথম পক্ষ দেখিয়ে এবং তাঁর স্বাক্ষর জাল করে ফাহাদ হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে দ্বিতীয় পক্ষ হিসেবে উল্লেখ করে একটি কথিত চুক্তিনামা তৈরি করা হয়।

সেখানে দাবি করা হয়, তিনি বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেলে ফাহাদ হোসেনকে অর্থ প্রদান করবেন।

একই সঙ্গে তাঁর নামে একটি পৃথক সম্মতিপত্রও প্রস্তুত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে, যেখানে তাঁর স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরই আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেন বেবিচকের সদস্য (প্রশাসন)।

এ বিষয়ে এস এম লাবলুর রহমান একটি গণমাধ্যমে বলেন, আমার স্বাক্ষর জাল করে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট নথি তৈরি করা হয়েছে। আমি কখনোই এ ধরনের অনৈতিক বা বেআইনি কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নই।

তিনি আরও বলেন, আমাকে সামাজিক ও পেশাগতভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে এ কাজ করেছে। প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনের জন্য আমি আইনের আশ্রয় নিয়েছি। তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশা করছি।

মামলার পর ঘটনাটি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করবে বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, এই ভুয়া চুক্তিপত্র ও স্বাক্ষর জালের ঘটনা নিয়ে একটি দৈনিকে ও দুটো অনলাইনে খবর প্রচার হয়।ওই দৈনিক থেকে খবরটি সরিয়েও নেয়া হয়।