বেবিচক : কল্যাণ কমিটির নির্বাচন ২৬ জুন শেষ করার অফিস চিঠি জারি: ৯ জুলাইও নির্বাচন হয়: চাকরিতে অস্থায়ীরাও শাখা প্রধান কোটায় সদস্য হচ্ছে : কোন কোন শাখায় নির্বাচন হয়নি, সিলেকশন: এডি ইউসুফ বললেন কন্টাক্টরি করি না, ফুল বাগান করি নাই, পারমাণবিক বিদ্যুতের জন্য বরাদ্দকৃত পার্কিংয়ে ফি দিয়ে বেসরকারি গাড়ি পার্কিং করার বিধান আছে

স্টাফ রিপোর্টার : বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃৃপক্ষের অধীন শাহজালালসহ বিভিন্ন শাখায় কল্যাণ কমিটির গত ২৬ জুন নির্বাচন করার অফিসাদেশ জারি থাকলেও গত ৯ জুলাই শাহজালাল বিমানবন্দরে সিকিউরিটি শাখার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে জামায়াত সমর্থিত নিরাপত্তা কর্মচারি আশরাফ ৩৪৬ ভোট পেয়ে প্রথম হয়েছেন। দ্বিতীয় হয়েছেন মনজরুল ইসলাম মনজু।
ওই অফিসাদেশের স্মারকনং-নথিনং হসাআবি/কল্যাণ/সভা/০১/০৩(অংশ)-১/৪৭৫, তারিখ: ০৯-০৬-২০২৬ ইং
এখানে শাখা প্রধান হিসেবে সহকারি পরিচালক (অস্থায়ী, তার চাকরি ২০২৪ সালে) সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে। এ শাখার সদস্য সংখ্যা ৪ জন। আবার কোন কোন শাখায় নির্বাচন হয়নি, সিলেকশন কমিটি হয়েছে।
পরিচালক এভসেকও শাখা প্রধান হিসেবে কমিটিতে আছেন বলে জানা যায়।
শাহজালাল বিমানবন্দরে কর্মরত সহকারি পরিচালক অস্থায়ী ইডি ইউসুফের সম্পর্কে ঠিকাদারি ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ততার কথা ওঠলেও তিনি তা অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, কন্টাক্টরা ভিআইপিতে ফুল বাগান করছে।
বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এডি ইউনুফ, ডমেস্টিক ম্যানেজার সেলিম মিয়া এবং লিটু গাজি এই ফুল বাগানের নায়ক। এই লিটু গাজি আবার বিমানবন্দর ওয়েলফেয়ার কমিটির সেক্রেটারি প্রার্থী।দীর্ঘ দেড়যুগেরও বেশি সময় ধরে বেবিচকের সদর দপ্তরে কর্মরত থাকলেও তাকে বদলি করা হয় না। জামালপুরের জাহিদকে মাঝে বদলি করা হলেও সদর দপ্তরে বহাল।
আওয়ামী নেতা আবুল হাসনাত আব্দুল্লার ঘনিষ্ঠ এডি তিরান হোসেন এখনও প্রশাসনে বহাল।
কেরানি হাফিজকে কেন বদলি করা হয় না? বেবিচকের সদস্য অর্থ/প্রশাসনে ঘরেফিওে চাকরি করলেও তাকে চাকরির শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বদলি করা হয়নি। তার বিরুদ্ধে ঘুষ-দুৃর্নীতির অভিযোগও আমলে নেয়া হয় না।
শাহজালাল বিমানবন্দরে খোলা কার পার্কিং ঠিকাদার মামুন কার্যাদেশ পেয়েও কাজ না করায় তা পরিচালনা করছে সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ। এই খোলা পার্কিংয়ে গাড়ির প্রবেশ ফি কেন্দ্র করে অনিয়মের কথা শোনা যায়। গাড়ির প্রবেশ ফি টিকিটে নিদিষ্ট সময় দেয়া থাকলেও তা মানা হয় না বলে অভিযোগ ওঠেছে। টিকিট জালিয়াতির কথাও শোনা যায়।
এ দিকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুত অফিসের জন্য নির্ধারিত কার পাকির্ংয়েও বেসরকারি গাড়ি ১০০ টাকা করে ফি নিয়ে পার্কিং করার সুযোগ দিচ্ছে বেবিচক ডিউটিরত কর্মচারিরা।
এ ব্যাপারে সহকারি পরিচালক অস্থায়ী ইউসুফ জানান, আমি কন্টাক্টরি করি না, ফুলবাগান কন্টাক্টররা করেছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুতের জন্য নির্ধারিত পার্কিংয়ে ফি দিয়ে বেসরকারি গাড়ি রাখার নিয়ম আছে।
তিনি আরো জানান, শাখা প্রধান হিসেবে আমি কল্যাণ কমিটিতে থাকতে পারি, না থাকার কোন বাধ্যবাধকতা নাই।