আদম পাচার করতে গিয়ে ধরা গেল সিভিল এভিয়েশনের কর্মচারি মতি

বিশেষ সংবাদদাতা : হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে মালয়েশিয়ায় ১১ আদম পাচার করতে গিয়ে গোয়েন্দা সংস্থার হাতে ধরা গেল সিভিল এভিয়েশনে এম্বারকেশন ফি কালেকশন বিভাগে দীর্ঘদিন যাবত কর্মরত মতিন ওরফে পিয়ন মতি। আজ সকাল সাড়ে ৭ টায় বিজি-০৮৪ ফ্লাইটে এ ঘটনা ঘটে।
বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, দুই নম্বরি ভিসায় আদম পাচারের অভিযোগে মতিকে বিমানবন্দরে কর্মরত একটি গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা অভিযান চালিয়ে টার্মিনাল ভবনের বাইরে থেকে তাকে গ্রেফতার করে। বিমানবন্দরের বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে তথ্য যাচাই করে পরে মুচলেকা রেখে তাকে সিএএবি কর্তৃৃপক্ষের হাতে তুলে দেয়। ওই ১১ যাত্রীর যাত্রা বিরতি করা হয়েছে।
বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শাহজালাল বিমানবন্দরে এম্বারকেশন ফি কালেকশন সেকশনে দীর্ঘদিন যাবত কর্মরত পিয়ন মতি। আর এ সুবাধে আদম, হুন্ডিসহ অন্যান্য পাচারের সাথে জড়িত। রহস্যজনক কারনে তাকে শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে বদলি করা হয় না। এম্মারকেশন ফি কালেকটর শফি হুজুরের আমল থেকে শুরু করে মতি অদ্যাবধি শাহজালালে বহাল । শফি হুজুর এলপিআরে চলে গেছেন প্রায় ৫ বছর। তার পরও তার পিয়ন মতি এখনও সেখানে বহাল তবিয়তে। এর আগেও গোয়েন্দা রিপোর্ট হয়েছে বলে জানা গেছে। কিন্ত এই সুচতুর মতি সব জায়গায় ম্যানেজ করে চলে বলে সূত্র জানা গেছে।
সিএটিসিতে কর্মরত সিএএবর কর্মচারি জাহাংগীর হোসেন আজ ১৩ অক্টোবর সকাল ১১.৪৯ মিনিটে মোবাইল ফোনে মতির ধরা খাওয়া ঘটনার বর্ননা দেন। তিনি আরো জানান, কক্সবাজারে কর্মরত সিএএবির এক নিরাপত্তারক্ষী শাহজালালে মোবাইলে আদম পাচার করছে।