স্টাফ রিপোর্টার: হজ¦ ক্যাম্প থেকে রূপালি গার্ডেন পর্যন্ত আশকোনা প্রধান সড়কের উন্নয়ন ও ড্রেনেজ কাজ কমিউনিটি সেন্টার থেকে ডিলারবাড়ির পশ্চিম পর্যন্ত আওয়ামী দোসরদের বাধায় বন্ধ রয়েছে। সড়কে আওয়ামী দোসরদের বাসাবাড়ি, মার্কেট, দোকানপাট গড়ে তোলা হয়েছে, বার বার ভেংগে ফেলার জন্য বলার পর, নোটিশ করার পরও তারা তা ভেংগে দিচ্ছে না। হুমকি দিচ্ছে সড়কের উন্নয়ন কাজ করতে দেবে না।
এর ফলে এলাকাবাসিরা সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সেনা বাহিনীর হস্তক্ষেপে যেন সড়কের দ’ুপাশের সব অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দিয়ে জনস্বার্থে সড়কটির উন্নয়ন ও ড্রেনেজ কাজ অতি দ্রুত শেষ করা হয়। তা না হলে জনভোগান্তি চরমে পৌছুবে।
সরেজমিন দেখা যায়, আশকোনা প্রধান এ সড়কটির হজ¦ ক্যাম্প থেকে আশকোনা কমিউনিটি সেন্টার পর্যন্ত ড্রেনেজ কাজ শেষ পর্যায়ে এবং পূর্ব দিকে রূপালি গার্ডেন থেকে ডিলার বাড়ি পর্যন্ত শেষ করেছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
ডিলার বাড়ি থেকে কমিউনিটি সেন্টার পর্যন্ত সড়টির পাশে সড়কটি ঘেষে উভয় পাশে আওয়ামী দোসরদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, মার্কেট, বিল্ডিং গড়ে তোলা হয়েছে। এ সব অবৈধ স্থাপনা ভাংগার জন্য বার বার ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অনুরোধ করলেও তা আমলে নেয়া হচ্ছে না। ফলে আশকোনা প্রধান এ সড়কির মাঝখানে উন্নয়ন কাজ থমকে আছে।
উল্লেখ্য, এ নিয়ে ‘একুশে বার্তা’র অনলাইন সংস্করণে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। হাটুপানির দৃশ্য দিয়ে ভিডিও প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়েছে।
শাখা সড়কও আওয়ামী দোসরদের দখলে! আশকোনা প্রধান এ সড়ক ছাড়াও আশকোনা সরকারি প্রাইমারি স্কুলের অপজিটের দক্ষিণে শাখা সড়কটিও আওয়ামী দোসররা দখল করে দোকানপাট, বাসাবাড়ি বিল্ডিংয়ের সাথে সংযুক্ত করেছে, বরফকল গড়ে তুলেছে-যা সরেজমিন পরিদর্শনে এর সত্যতা মিলবে। অথচ পাশের ২টি শাখা সড়ক প্রশস্ত অবস্থায় আছে।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
