স্টাফ রিপোর্টার : বেবিচকে প্রশাসনের খেলা চলছে। কোন কোন কর্মকর্তা-কর্মচারিকে বদলি, পদায়ন, রিপ্লেজমেন্ট, স্ট্যানডরিলিজ করা হচ্ছে, আবার তা রহস্যজনক কারণে বাতিল করা হচ্ছে। অফিসাদেশে সই করছেন সহকারি পরিচালক প্রশাসন তিরান হোসেন, কলকাঠি নাড়ছেন গত ১৫ বছর যাবত প্রশাসনে বসা উপ-পরিচালক আবিদুল ইসলাম। তাকে প্রশাসন ছেড়ে যেতে হচ্ছে না। প্রশাসনের কি-পয়েন্টে বসা সদস্য অনুমোদন দিয়ে যাচ্ছেন। এভাবেই বেবিচক প্রশাসন চলছে দীর্ঘকাল ধরে।
বেবিচকের গত ৭ সেপ্টেম্বরের এক অফিসাদেশে যশোহর এয়ারপোর্টের ইএম হেলপার, ম্যানেজারের ক্যাশিয়ার বলে খ্যাত ‘সেই মফিজের’ সিলেট এয়ারপোর্টে বদলির আদেশ বাতিল করা হয়েছে। বেবিচকের অফিসাদেশে সই করেছে এডি প্রশাসন তিরান হোসেন। যার নথিনং- ৩০.৩১.০০০০.০০০.২১১.১৬.০০০৩.২৬.৭৪৪ তারিখ-০৭-০৯-২০২৬ খ্রি:।
এর আগে তাকে গত ১১ মে সিলেট ওসমানি বিমানবন্দওে তাকে বদলি করা হয়।
যার অফিসাদেশ নথিনং-৩০.৩১.০০০০.০০০.২১১.১৬.০০০৩.২৬.৪৩৪। এ নথিতে মোট ১২ জনকে বদলি করা হয়। সিলেট এয়ারপোর্ট থেকে রফিকুল ইসলামকে যশোহরে বদলি করা হয়। রফিকুল অলরেডি যশোহরে যোগদান করেছেন, ম্যানেজার তার যোগদানের খবর অফিস নথিতে সদর দপ্তরকে জানিয়েছেন।
কিন্ত আগলে রেখেছেন তার ক্যাশিয়ার খ্যাত মফিজকে। বদলির দেড় মাস পর তাকে দিয়ে তার স্ত্রীর অসুস্থতার কথা উল্লেখ করে যশোহরে থাকার জন্য আবেদন করানো হয়-যা ম্যানেজার স্বীকার করেছেন।
অবশেষে মফিজকে বদলির ৬ মাস পর তাকে যশোহর এয়াপের্টেই বহাল রাখা হল। একেই বলে প্রশাসনের খেল।
আবার সহকারি নিরীক্ষা কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলামকে স্ট্যান্ডরিলিজের পরও বেবিচকের সদর দপ্তরেই বহাল রাখা হয়েছে। গত ০২ সেপ্টেম্বর তাকে সিলেট এয়ারপোর্টে অবমুক্ত করার ডেট ছিল। কিন্ত জাহিদ সিলেটে এখনও যোগদান করেননি, তদবির বাণিজ্য করে বেড়াচ্ছেন, তার ( জাহিদ) সততার গুণগান গেয়ে ছাপাই গাইছেন।
তার পদোন্নতি নিয়েও কথা ওঠেছে। তিনি যে পদে কর্মরত ছিলেন সেখান থেকে সহকারি নিরীক্ষণ কর্মকর্তা পদে পদোন্নতি বিধান লংঘন বলে বেবিচকের কর্মকর্তারা মনে করেন।
জাহিদকে সিলেটে স্ট্যান্ডরিলিজ করে আরেক সহকারি নিরীক্ষণ কর্মকর্তা জয়ন্ত বর্মণকে বেবিচক সদর দপ্তরে পদায়ন করা হয়। কিন্ত গত ০৭ সেপ্টেম্বর এক অফিসাদেশে তা আবার বাতিল করা হয়েছে। যার অফিস নথিনং-৩০.৩১.০০০০.০০০.২১১.১৬.০০০২.২৬.৭৪২ তারিখ-০৭০৯-২০২৬ খ্রি:।
প্রশাসনিক এ খেলার ফলে মফিজ মফিজের জায়গায়, বর্মণ বর্মণের জায়গায় আর জাহিদ জাহিদের জায়গায় বহাল। যদিও জাহিদকে নিয়ে এখনও কোন অফিসাদেশ জারি করা হয়নি।
জাহিদকে নিয়ে প্রশাসনিক খেলা চলছে। প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের সাথে জাহিদের গোপন সমঝোতা চলছে, সমঝোতা ষোলকলা পূর্ণ হলেই হয়তো জাহিদের ব্যাপারে অফিসাদেশ জারি করা হতে পারে।
সহকারি নিরীক্ষা কর্মকর্তা জাহিদ হোসেন বদলির আদেশ অমান্য করে বেবিচকের সদর দপ্তরে বহাল তবিয়তে রয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকতা জানান, বদলির পর পরই জাহিদ বিভিন্ন মহলে তদবির করতে থাকে এবং সরকারি আদেশ অমান্য করে বেবিচকের সদর দপ্তরে বহাল তবিয়তে রয়েছেন। জানা যায়, ভারপ্রাপ্ত পরিচালক শাহিনা আক্তার এবং পরিচালক অডিট নূরুল ইসলাম তাকে (জাহিদ) ১ মাসের ভ্রমণ আদেশে ঢাকায় রাখার চেষ্টা করছেন।
এ ব্যাপারে জানতে পরিচালক অডিট নূরুল ইসলামকে তার সেল ফোনে কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
