ডেক্স রিপোর্ট : এটিজেএফবির ৫ সদস্য বেবিচক সদ্য যোগদানকৃত বেবিচক চেয়ারম্যানকে ফুল দিলেন। চিত্রে একজন সদস্য লাইমলাইটে আছেন। তিনিই বেবিচকে হোটেল ব্যবসা, ঠিকাদারি ব্যবসা করছেন। তিনি আগের চেয়ারম্যানের আমলে অনুমতি ছাড়াই যখন-তখন চেয়ারম্যান দপ্তরে ঢুকে যেতেন বলে সিএএবির কর্মকর্মরা জানান।পিএস-এর অনুমতির তোয়াক্কা করতেন না। নতুন চেয়ারম্যানের আমলেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে কিনা- তা নিয়ে অনেকে ভাবছেন। এই সদস্য বেবিচক সাবেক চেয়ারম্যানকে কব্জা করে হোটেল ব্যবসা, ঠিকাদারি ব্যবসা করে চুনোপুটি থেকে কোটিপতি বনে গেছেন।
উক্ত ফুলেল অনুষ্ঠানে বেবিচক চেয়ারম্যান বলেছেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের কাজে আর্থিক কোনো সংকট নেই। ইতোপূর্বেই সব কিছুরই বরাদ্দ হয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার কমোডর সাদিকুর রহমান চৌধুরী।
তিনি বলেন, এখানে কোনো ঘাটতি নেই। বিশ্বমানের সব সুবিধা নিয়ে চালু হবে হযরত শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল। মূল ভবনের সৌন্দর্য বর্ধন এবং ভবন নির্মাণের কাজ শেষ পর্যায়ে।
মঙ্গলবার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক)-এর প্রধান কার্যালয়ে এভিয়েশন অ্যান্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশের (এটিজেএফবি) নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ে তৃতীয় টার্মিনালের কাজ সম্পন্ন করতে বেশ কয়েকটি সংস্থা একযোগে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মূল ভবনের কাজ ইতোমধ্যেই শেষের পথে। ধীরে ধীরে ধাপ অনুযায়ী টার্মিনালটির ব্যবহার শুরু হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে পরীক্ষামূলক পরিচালনা কার্যক্রম শুরু করা হবে। এটা সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। সব কাজ নির্ভুলভাবেই সম্পন্ন করতে হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, এভিয়েশন অ্যান্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশের (এটিজেএফবি) সভাপতি তানজিম আনোয়ার, অর্থ সম্পাদক শাফিউল্যা সুমন, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরুল কাওসার ইমন, কার্যনির্বাহী সদস্য খালিদ আহসান, রাশেদুল হাসান এবং সংগঠনের সদস্য আবুল আজাদ সোলায়মান।
