একুশে বার্তা প্রতিবেদন : জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তায় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ আবারো হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ফরেন পোস্ঠ অফিস থেকে নতুন মাদক ‘এনপিএস’ এর চালান জব্দ করেছে । এবার ১৪০ কেজি ওজনের চালান জব্দ করা হয়।
এ নিয়ে গত ১০ দিনে তৃতীয়বার এ নতুন মাদকের চালান জব্দ করা হলো।
ঢাকা কাস্টমস হাউসেরপ্রিভেনটিভ সূত্র জানায়, সোমবার বিমানবন্দরের কার্গো ইউনিটের অভ্যন্তরে অবস্থিত ‘ফরেইন পোস্ট অফিসের’ মাধ্যমে ১৪০ কেজি এনপিএসের জেড এয়ারওয়েজে দুবাই থেকে এ চালান আসে। জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার দেয়া তথ্যে ৮টি কার্টনে আসা মাদকের এই চালানটি জব্দ করে কাস্টমস ।
কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, ইথিওপিয়া থেকে এনপিএস বা খাত এর চালানটি ভারত হয়ে জেট এয়ারওয়েজ হয়ে রোববার দুপুর ২টায় শাহজালালে আসে। পরে তা ‘ফরেইন পোস্ট অফিসে’ নেয়া হয়। আজ সোমবার তা খুলে মাদকের চালানটি জব্দ করা হয় এবং ডিএনসির কাছে হস্তান্তর করা হয়। মিথ্যা ডিক্লারেশনে মাদকের চালানটি বাংলাদেশে আসে। এর সাথে ঢাকা কাস্টমস হাউজের নিয়ন্ত্রিত সংশ্লিষ্ট সিএন্ডএফ এজেন্ট ও আমদানিকারক পরস্পর যোগসাজশে চালানটি তুরাগের বাদালদির ঠিকানায় নিয়ে আসে। গেট কন্ট্রাক্টে চারঅনটি পাচার করার আগেই বাধসাধে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ, পরে তা জব্দ করে ফেলে। এর সাথে কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। তদন্ত চলছে। কিছু ডকুমেন্ট জব্দ করা হয়েছে। চালানটি ২০ সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রিত হয়ে আসছিল বলে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানতে পেরেছে। কাস্টমস গোপন সমঝোতায় ম্যানেজ হয়ে যাবার প্রক্রিয়া করলেও গোয়েন্দা সংস্থার হস্তক্ষেপে নড়েচড়ে বসে কাস্টমস এবং শেষাবধি অভিযান চালায়।
এর আগে গত ৩১ আগস্ট প্রথম এ মাদকের অস্তিত্ব মেলে। ইথিওপিয়ার আদ্দিস আবাবা থেকে জিয়াদ মোহাম্মাদ ইউসুফ নামে এক ব্যক্তি ঢাকায় এনপিএসের একটি চালান পাঠান।
