ডিসি ম্যানেজ : এয়ার ফ্রেইট আমদানি শাখা দিয়ে সিডিউল টাইমের পর প্রতি সন্ধ্যায় পন্য খালাসের হিড়িক

বিশেষ সংবাদদাতা : ঢাকা কাস্টমস হাউজের এয়ার ফ্রেইটের আমদানি শাখায় প্রতিদিন সিডিউল টাইমের পর সন্ধ্যা থেকে রাত অবদি আমদানিকৃত পণ্য খালাসের হিড়িক পড়ে যায়। গত ২৮ ডিসেম্বর সিডিউল টাইমের পর সন্ধ্যা থেকে রাত প্রায় ৮ টা পর্যন্ত আমদানিকৃত পণ্য খালাস দেয়া হয়েছে বলে ঢাকা কাস্টমস হাউজের একটি সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। সূত্র জানায়, যতক্ষণ পর্যন্ত পন্য ডেলিভারি পয়েন্টে আছে ততক্ষণ পর্যন্ত খালাস দেয়া হবে, এতে রাত ৯ টা বাজলেও কোন সমস্যা নেই। এ ব্যাপারে ডিসি এয়ারফ্রেইটের অফিসের তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ব্যস্ত থাকায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় সিএন্ডএফ এজেন্ট রনি এবং আনান ওজনে কারচুপি, নামকাওয়াস্তে শুল্ক পরিশোধ করে বিপুল পরিমাণ পন্য খালাসের সময় শুল্ক গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষ তা স্টপ ডেলিভারি করে। পণ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর পণ্য খালাসের অনুমতি দেয়া হয়।
এ ব্যাপারে শুল্ক গোয়েন্দার সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তা ইয়াকুত জাহিদ জানান, পণ্য খালাসের সময় সন্দেহ হলে সিএন্ডএফ রনি ও আনানের মাধ্যমে পন্য খালাস করার সময় তা স্টপ ডেলিভারি করে পণ্য শতভাগ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পরে তা ছাড়করন করা হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যবসায়ী জানান, ডিসি এয়ারফ্রেইটকে ম্যানেজ করে এয়ারফ্রেইট আমদানি শাখা দিয়ে হাতেগোনা ৪/৫জন ল্যাগেজ পার্টি শুল্ক ফাকি দিয়ে , অনেক সময় নামকাওয়াস্তে শুল্ক দিয়ে , অনেক সময় মিস ডিক্লারেশনে টনে টনে পন্য খালাস করে নিয়ে যাচ্ছে। এ প্রক্রিয়ায় পণ্য খালাসের সময় শুল্ক গোয়েন্দা এয়ারফ্রেইট ইউনিট একটি সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠান কর্তৃক পণ্য খালাসের সময় তা জব্দ করে প্রায় ১০ লাখ টাকার শুল্ক আদায় করে। সিএন্ডএফ রনি এবং আনান , ভাগিনা জীবন, রাসেল, সুমন, জাহিদ এই পদ্ধতি অবলম্বন করে শুল্ক কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে দেদারচেছ পন্য খালাস করে নিয়ে যাচ্ছে। কোন কোন ক্ষেত্রে বিএসটিআই সনদও উপেক্ষা করছে।