স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা কাস্টমস হাউজে বিভিন্ন শুল্কায়ন গ্রুপে কর্মরত রাজস্ব কর্মকর্তা ও সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তাদের ‘টাকার নেশায় মানসিক রোগি’ উপাখ্যানে ফেইজবুকে ভাইরাল হয়েছে। এরা এনবিআরের এই কয়েকদিনের ধর্মঘটের পর আজকে ২৬ মে যখন অফিস পূর্নাংগ চালু হয়েছে তখন তােেদর ফাইল আটকিয়ে টাকা নেয়ার প্রবণতা শুরু হয়েছে।
একজন ব্যবসায়ীর অভিযোগ সংশ্লিস্ট একজন সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তা লাখ টাকার নীচে ঘুষ না দিয়ে ফাইলে সই করেন না। তার বিরুদ্ধে তথ্য- উপাত্য আসছে। পরের কিস্তিতে বিস্তারিত রিপোর্ট।
এ দিকে হাউজের কুরিয়ার শুল্কায়নে এসটির দায়িত্বে থাকা সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তার সমঝোতায় কুরিয়ার শুল্কায়ন দিয়ে পণ্য পাচার হয়ে যাচ্ছে বলে গোয়েন্দারা খতিয়ে দেখছে।
ফেইজবুকে বলা হয়েছে, ঢাকা কাস্টমস হাঊজে বেশ কয়েকজন রাজস্ব কর্মকর্তা ও সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তা আছেন যারা মানসিক রোগি। বেশ কয়দিন তাদের দাবি আদায়ের আন্দোলনের কারণে কর্মবিরতি থাকায় তারা অভুক্ত ছিল। টাকা ছাড়া তারা কোন কাজ করেন না। টাকা পেলেই তারা সুস্থ হয়ে যান। বর্তমানে তাদের চাহিদা অনুযায়ী টাকার অংকটাও দ্বিগুণ হয়েছে। শুল্কায়ন টিমগুলো এদের কাছে টাকার খনি। এ ছাড়া আরেকজন যুগ্ম কমিশনার আছেন, কমিশনারের পাশের চেম্বারে বসেন, বড় মাপের মানসিক রোগি। ওনার কেলেংকারির কোন শেষ নেই।টাকার নেশায় নেশাখোেেরর মতন হয়ে গেছেন। মুখোশের আড়ালে ওরা ভয়ংকর মুখশধারি। এদের কথা শুনলে প্রাণটা জুড়িয়ে যায়। আর এদের অন্তরের মধ্যে আছে মারাত্মক লোভী পোকা। এরাই হলেন টাকার নেশায় মানসিক রোগি।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
