বিশেষ সংবাদদাতা : ঢাকা কাস্টমস হাউজে তিন রজস্ব কর্মকর্তার ঘুষের মহোৎসব চলছে বলে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন। ঘুষখোর এই ৩ রাজস্ব কর্মকর্তার হাউজ থেকে বদলি দাবি করেছেন ব্যবসায়ীরা। ৩১ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার একদল সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ আমদানিকৃত পন্যের ছাড়করণ পেপারস সই করাতে গেলে রাজস্ব কর্মকর্তা জুনায়েদ, আশিক, শ্যামল পেপারস প্রতি মোটা অংকের ঘুষ দাবি করেন। রাজস্ব কর্মকর্তাদের দাবিকৃত ঘুষ না দেয়ায় পেপারসে সই করেন না রাজস্ব কর্মকর্তারা। এর প্রতিবাদে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ সাউটিং করতে করতে লংরুম থেকে বেরিয়ে আসেন এবং ঘুষ চাওয়ার প্রতিবাদ করতে থাকেন। বলতে থাকেন এরা সংখ্যালঘু, এরা ঘুষ ছাড়া পেপারসে সই করেন না। ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, ফাইল বাড়ে ঘুষ বাড়্ ফোইল গুণে গুনে এই ৩ রাজস্ব কর্মকর্তা ঘুষ হাতিয়ে নেন। তাদের দাবিকৃত ঘুষ না দিলে পেপারসে সই না করে ব্যবসায়ীদের হয়রানি করতে থাকে। অথচ দ্রুত আমদানিকৃত পণ্য ছাড়করণে সরকারের নির্দেশ রয়েছে ।এই ৩ রাজস্ব কর্মকর্তা ঘুষ ছাড়া পেপারসে সই না করে অযথা পণ্য খালাসে সময়ক্ষেপণ করে দেশের শিল্পের জন আমদানিকৃত্য কাচা মাল খালাস না করার কারনে উৎপাদনমুখি শিল্পের বারোটা বাজাচ্ছেন। দেশ ও জাতির স্বার্থে এই ৩ রাজস্ব কর্মকর্তাকে ঢাকা কাস্টমস হাউজ থেকে দ্রুত বদলির দাবি করেছেন ব্যবসায়ীরা। আর তা না হলে জেসি মাহবুবের পরিণতির ঘটনারও ইংগিত দেন ব্যবসায়ীরা।
ডিসির স্টপ ডেলিভারি বাণিজ্য : ডিসি প্রিভেনটিভের স্টপ ডেলিভারি বাণিজ্য চলছে বলেও ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন। ডিসি পণ্য স্টপ ডেলিভারির নামে পণ্য খালাসে সময় জব্দ করে পণ্যের ট্যাক্স আদায়ের নামে ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হয়ে পরে পণ্য ছাড়করণ করে থাকেন। গত ১৮-১১-১৮ তারিখে একটি পণ্যের চালান জব্দ করে ডিসি প্রিভেনটিভ দীর্ঘ ১ মাস ১১ দিন পর সেই পণ্যের গত ২৯-০১-২০১৯ তারিখে ছাড়করণ করেছেন। প্রথমে ডিসি সাহেব বিমান কর্তৃপক্ষকে দাপ্তরিক চিঠি দিয়ে পণ্য ছাড়করণে বারণ করেণ। আবার গত ৩১-০১-২০১৯ তারিখে বিমান কর্তৃপক্ষকে দাপ্তরিক চিঠি দিয়ে বলেন যে, রাজস্ব আদায় হওয়ার এ দপ্তরের কোন আপত্তি নেই।
সহ রাজস্ব কর্মকর্তার ফল বাণিজ্য : ঢাকা কাস্টমস হাউজের ফ্রেইটে কর্মরত সহ রাজস্ব কর্মকর্তা মুরাদ হাসানের আমদানিকৃত ফল(ফ্রুট) বাণিজ্য জমজমাট। তরিকুল নামের একজন সিএন্ডএফ এজেন্টের সাথে গোপন সমঝোতায় ‘বি’ গেট দিয়ে চালান প্রতি অর্ধলক্ষ টাকার ঘুষ হাতিয়ে নিয়ে ফল খালাস দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন চলছে। ফলের চালানে অন্য কিছু কিছু যাচ্ছে কিনা- তা গোয়েন্দারা খতিয়ে দেখছে।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
