„ঢাকা কাস্টমস হাউজ : কুরিয়ার শুল্কায়ন গেট দিয়ে পাচারের সময় ৯৬ সোনার বার উদ্ধার, আটক ২, পালিয়ে গেছে ব্লাক শরিফ, নাজিরের সফটওয়ার সিডি বানিজ্য জমজমাট

ডেক্স রিপোর্ট : ঢাকা কাস্টমস হাউজের কুরিয়ার শুল্কায়নে দিয়ে গেট কন্ট্রাক্ট্রে দীর্ঘদিন স্বর্ন পাচারের গডফাদার ব্লাক শরিফ গার্মেন্টস পণ্যের অন্তরালে স্বর্ন পাচারে সিদ্ধহস্ত , ব্লাক শরিফের এসিএস খাচায় শুল্ক গোয়েন্দা অভিযান চালিয়ে  ৯৬টি সোনার বার উদ্ধার করেছে ,  এ ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে, পালিয়ে গেছে গডফাদার ব্লাক শরিফ।

একই কায়দায় গেট কন্ট্রাক্টে নাজির নামের একজন নব্য খাচার মালিক সফটওয়ার সিডি পাচার করছে বলে গোয়েন্দারা জানতে পেরেছে। এসটি-এসি ডিসি কন্ট্রাক্টে স্বর্ন-সফটওয়ার সিডি পাচার বাণিজ্য জমজমাট।

ইতিপূর্বে ঢাকা কাস্টমস হাউজের সদ্য বদলিকৃত অতিরিক্ত কমিশনার কুরিয়ারে ১৭ ব্যবসায়িকে নিষিদ্ধ করেন। পিচ্চি আলামিনের আশকোনার ঢেয়ায় অভিযান চালিয়ে ৩ কোটি টাকার পন্য জব্দ করা হয়। কিন্ত ১৭ ব্যবসায়ি আবার কুরিয়ারে সক্রিয়। এদের মধ্যে মামা রাইদুলের নামও রয়েছে। ৯ লাখ টাকা জরিমানা দিয়ে আবার দুই নম্বরি ব্যবসা করছে বলে জানা যায়। পেপারস গ্রীন করছেন রাজস্ব কর্মকর্তা খবির উদ্দিন। তিনি ব্যবসায়িদের হাতে গোপন পাচ ওয়ার্ড দিয়েছেন, একজন নব্য নেতা তা স্বীকারও করেছেন। কিন্ত খবির উদ্দিনকে হাউজ থেকে বদলি করা হয় না। গ্রুপ-৯ থেকে বিতাড়িত হবার পরও রাজস্ব কর্মকর্তা মিজান এখনও বহাল।

গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রোববার  শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের এয়ার ফ্রেইট সার্কেলের উপপরিচালক আহমেদুর রেজা চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, রবিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আমদানি কার্গো ভিলেজের কুরিয়ার ইউনিটের ডেলিভারি গেইট থেকে পণ্য খালাসকালে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের এয়ার ফ্রেইট সার্কেলের কর্মকর্তারা পণ্য চালানটি আটক করে। এসব সোনার মোট বাজার মূল্য আনুমানিক ৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

এদিকে শাহজালালে স্বর্ণ নিতে এসে জুয়েলার্সের এক কর্মচারী আটক হয়েছেন গতকাল দুপুরে ১১টি স্বর্ণের বার ও ৫০০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণালংকারসহ তাকে আটক করে আর্মড পুলিশ। নাম নুরুন্নবী (৩০)। তিনি নিজেকে একটি জুয়েলার্সের হিসাবরক্ষক বলে দাবি করেছেন।

এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জিয়াউল হক জানান, নুরুন্নবী কোনো বিমানযাত্রী ছিলেন না। তিনি ওইসব স্বর্ণ নিতে (খালাস করতে) এসেছিলেন।

এপিবিএন জানায়, নুরুন্নবীর চালচলন সন্দেহজনক হওয়ায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তার কাছ থেকে স্বর্ণের বার ও অলংকার পাওয়া যায়।