একুশে বার্তা প্রতিবেদন : আজ ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এবারের প্রতিপাদ্য ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে উচ্চশিক্ষা’। এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে নানা আয়োজন হাতে নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বরে দিবসটির উদ্বোধন করবেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। সেখানে জাতীয় পতাকা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও হলগুলোর পতাকা উত্তোলন, পায়রা উড়ানো, কেক কাটা, বিশ্ববিদ্যালয় সঙ্গীত বিভাগ কর্তৃক উদ্বোধনী সঙ্গীত পরিবেশন এবং স্মারক সংকলনের মোড়ক উন্মোচন করা হবে। এরপর শোভাযাত্রাসহ ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে যাওয়া হবে। এর আগে হলগুলো থেকে শোভাযাত্রার উদ্দেশ্যে মল চত্বরে সমবেত হবে শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
বেলা ১১টায় ছাত্র-শিক্ষক মিলনায়তনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষপূর্তি ও মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে নতুন একটি ওয়েবসাইট উদ্বোধন করা হবে এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার অংশ হিসেবে চারুকলা অনুষদের উদ্যোগে চীনের ইউনান বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে চিত্রকর্ম প্রদর্শনী এবং শিশুদের জন্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির উদ্যোগে বিতর্ক প্রতিযোগিতা, বিকেলে শারীরিক শিক্ষাকেন্দ্রের আয়োজনে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
এ ছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির পাশাপাশি সব অনুষদ, বিভাগ, ইনস্টিটিউট ও হল দিনব্যাপী নিজস্ব কর্মসূচি গ্রহণ করবে। বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে এ দিন ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত থাকবে। তবে হল, বিভাগ, ইনস্টিটিউট ও অফিসগুলো যথারীতি খোলা থাকবে।
দিবসটি উপলক্ষে গত শুক্রবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের অনুষ্ঠানমালায় অংশগ্রহণের জন্য উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান সব প্রাক্তন শিক্ষার্থীকে আমন্ত্রণ জানান। অধ্যাপক আবদুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে এই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. এনামউজ্জামান।
ড. আখতারুজ্জামান বলেন, বর্তমান পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা-গবেষণা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তিসহ জ্ঞানের সব শাখায় এগিয়ে যাচ্ছে। অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের উন্নত বাংলাদেশ গড়তে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিরলসভাবে কাজ করে যাবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
