একুশে বার্তা রিপোর্ট : মধ্য ফাল্গুনে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রথম মৌসুমি বৃষ্টি হয়েছে। শান্তির বৃষ্টির সঙ্গে ছিল মাতাল হাওয়ার আচমকা ঝটকাও।
রোববার মধ্যরাতের হঠাৎ বৃষ্টিতে অনেকেরই ঘুম ভেঙে যায়। বেশ উপভোগ করেন বৃষ্টির রিমঝিম শব্দ। বৃষ্টির ফলে ধুলোবালি কমে নাগরিক মনে কিছুটা হলেও স্বস্তি দেখা দিয়েছে। আবার সোমবার ভোরে রাস্তায় বেরিয়ে অনেকে পানি দেখে চমকেও উঠেছেন। হঠাৎ এ বৃষ্টি জনমনে স্বস্তি এনে দিয়েছে।
বসুন্ধরায় প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করেন শিমুল ইসলাম। তিনি বলেন, সকালে রাস্তায় ধুলোবালির পরিবর্তে জমে থাকা পানি দেখে বেশ অবাকই লেগেছে। আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, মধ্যরাতে ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি হয়েছে। ঢাকায় মাত্র ৪ মিলিমিটার। সবচেয়ে বেশি টাঙ্গাইল জেলায় ৩০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।
ঢাকা ছাড়া নারায়ণগঞ্জ, মানিকগঞ্জসহ বেশ কয়েকটি জেলায় মধ্যরাতে বৃষ্টির খবর পাওয়া গেছে। এসব এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি আকারের বৃষ্টি হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ বলেন, এখন ঋতু পরিবর্তনের কারণে যে গরম পড়েছে, এতেই এ বৃষ্টি। পশ্চিমা লঘুচাপের সঙ্গে দখিনা বাতাস মিশে এ বৃষ্টির দেখা মিলেছে। আবহাওয়া অধিদফতরে ফেব্রুয়ারি মাসের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ মাসের দ্বিতীয়ার্ধে দেশের উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে দুয়েক দিন শিলাবৃষ্টিসহ বজ্রঝড় হতে পারে।
তিনি জানান, প্রতি বছর ২২ ডিসেম্বর উত্তর গোলার্ধে দিনের ব্যাপ্তি কম থাকে। এই তারিখে রাত হয় দীর্ঘ। এর পর পরই সূর্যের অবস্থান বদলে দিন বড় হতে থাকে।
সূর্যের কিরণের তেজ বাড়ে। এর সঙ্গে পশ্চিমা লঘুচাপ এবং পূর্বদিক থেকে বাংলাদেশ ও আশপাশের অঞ্চলের ওপর দিয়ে বাতাস বয়ে যেতে শুরু করে। পশ্চিমা লঘুচাপ ও পূর্বদিকের বাতাসের সংমিশ্রণ ঘটলে বজ্রঝড় ও শিলাবৃষ্টির আশঙ্কা থাকে।মার্চ মাসে এ ধরনের ঝড়বৃষ্টির মাত্রা বৃদ্ধি পায়।
