স্টাফ রিপোর্টার : আফরিনা নাজনিন মিলি , বাংলাদেশ বিমানের উপ-ব্যবস্থাপক( প্রশাসন), এয়ারপোর্ট সার্ভিসেস বিভাগে কর্মরত থাকাবস্থায় ইয়োগার নামে বাক্স তৈরি করে চাদাবাজি করতেন বলে অভিযোগ ওঠেছে। বিভিন্ন সময় আওয়ামীলীগের এমপিদের নামে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আতংক সৃষ্টির চেষ্টা করতেন, ভয়ভীতি দেখিয়ে উপ-ব্যবস্থাপক মিজানুর রহমান ও সহকারি ব্যবস্থাপক মাসুদা আকতারের সাথে খারাপ আচরণ করতেন বলেও অভিযোগ।অফিসে বসে নিয়মিত বাসায় মেয়ের বিড়ালের খোজখবর নিতেন এবং আর অফিসে বসে তা মোবাইলে দেখতেন , আনন্দ পেতেন আর এ দৃশ্য সহকর্মীদের ডেকে দেখাতেন। মিলি গ্রুপ-৭ থেকে গ্রুপ-৮-এ যাচ্ছেন, কাজে অদক্ষ্য, এর আগে তাকে বিমানের প্রেসে বদলি করা হয়। আবার তাকে কোন খুটির জোরে বলাকায় আনা হয়- তা প্রশ্ন হয়ে দাড়িয়েছে।
২০২২ সালের হজ¦ মওসুমে নিয়োগপ্রাপ্ত ক্যাজুয়াল কর্মচারিদের অনুমোদন সব সময় ইনচার্জ দিতেন। কিন্ত আফরিন নাজনিন মিলি ০১-০২-২০২৩ খ্রি: এপিএস হিসেবে প্রশাসনে যোগদান করে এ নিয়মকে ওভারটেক করে অনুমোদন দিতে থাকেন।
পূর্বের ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন ১৪-১১-২০২৩ খ্রি: পর্যন্ত অনুমোদন ছিল । কিন্ত ৪৫ দিন সময় পেয়েও তিনি অনুমোদন না নিয়ে ফরোয়ার্ডিং-এর মাধ্যূমে বেতন শাখায় প্রেরন করেন। পূর্ববর্তী ইনচার্জের ডি- নথির ফাইলগুলো তার ডি-নথিতেই পড়ে থাকে।
তিনি ডিজিএম এবং জিএম কারো কথাই শুনতে চাইতেন না, থোরাইকেয়ার করতেন। তার কৃতকর্মের দায় জুনিয়রদের ওপর চাপানোর চেষ্টা করতেন। এ নিয়ে তার জুনিয়র দলিলুর রহমানের সাথে প্রচন্ড খারাপ আচরন এবং তাকে ফাসানোর চেষ্টা করতেন। তিনি অধীনস্থ ইলিয়াস হোসেনের সাথেও খারাপ আচরন করেন বলে অভিযোগ। কিন্ত এতোকিছুর পরও মিলিকে প্রশাসন থেকে সরানো হচ্ছে না।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
