স্টাফ রিপোর্টার : বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) প্রশাসন মূলত স্থবির হয়ে পড়েছে, উন্নয়ন কাজ থমকে আছে। একজন কেরানিকে বদলির ৩ মাস পর অবমুক্তকরণে চিঠি চালাচালি চলছে। লাইব্রেরীয়ান পলিনের অবৈধ পন্থায় পদোন্নতিতে প্রশাসন নড়েচড়ে বসলেও তার পদোন্নতি বাতিল করা হয়নি। একজন ডিডিকে বার বার বদলি করা হলেও স্বস্থানে এখনও বহাল। চলতি দায়িত্বের দু’ডিডিকে ডিডি পদে স্থায়ীকরণে পদোন্নতির ডিপিসি বসলেও ফাইনালি তা ভেস্তে গেছে।
বিএনপি সরকার গঠনের দু’মাস অতিবাহিত হলেও বেবিচকের কি-পয়েন্ট থেকে শুরু করে নি¤œপর্যায়ে আওয়ামী দোসররা এখনও বহাল। এরা তিন সরকারের আমল থেকে বেবিচকে বর্তমান।
মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী যথারীতি বিমানবন্দর পরিদর্শন করছেন, থার্ড টার্মিনাল ফাইনালি উদ্ধোধন নিয়ে ডেটলাইন ঠিক করছেন। যদিও আওয়ামী প্রধানমন্ত্রী এর আংশিক উদ্ধোধন করে গেছেন। নকশায় ভুল, ফলস সিলিং ভাংগার সিদ্ধান্ত, নেটওয়ার্ক বিভ্রান্ত, যৌথ ঠিকাদারদের বিল নিয়ে আন্তর্জাতিক সালিস, গ্রাউন্ড হ্যা-লিং কাকে দেয়া হবে-তার সিদ্ধান্তহীনতা -সব মিলে থার্ড টার্মিনাল ফাইনালি উদ্ধোধন এবং ফ্লাইট অপারেটিং করার উপযোগি হিসেবে উদ্ধোধনের অপেক্ষায় থার্ড টার্মিনাল। শোনা যাচ্ছে আগামি ডিসেম্বরে নাকি থার্ড টার্মিনাল ফাইনালি উদ্ধোধন করতে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।
সাধারণত নতুন সরকার গঠনের পর প্রত্যেক প্রশাসনই ঢেলে সাজানো হয়। সরকারি দলের বিরোধীমত থাকলে এদেরকে বদলি করা হয়। কিন্ত বিএনপি সরকারের গত দু’মাসেও বেবিচক প্রশাসনে কাউকে বদলি করা হয়নি। কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারি- ঠিকাদারদের মুখ থেকে শোনা যাচ্ছে বেবিচকের কি-পয়েন্টে বসা কর্মকর্তাদের প্রশাসনিক এ্যাকশনে বিভিন্ন বিমানবন্দরের উন্নয়ন কাজ থমকে আছে। ঠিকাদারি ফাইল নিয়ে আলোচনা- পর্যালোচনা আর নকশা সংশোধনীতে আটকে আছে ফাইল, প্র্রশাসনিক অনুমোদন হচ্ছে না, ঠিকাদারি কাজের টেন্ডারও সীমিত আকারে হচ্ছে।
গত অর্থবছরের ঠিকাদারি কাজ এখনও নতুন করে প্রশাসনিক অনুমোদনের অপেক্ষায়, বর্তমান অর্থবছরের জুন ক্লোজিং প্রায় চলে আসছে, তাহলে উন্নয়ন ও মেইনটেনেন্স কাজ কবে হবে?
এ দিকে বেবিচক প্রশাসনের অধীনে বিভিন্ন বিমানবন্দর, সদর দপ্তর মিলে কোন কোন কর্মকর্তাা-কর্মচারি ১ যুগ থেকে ২ যুগেরও বেশি সময় ধরে একই পোস্টিংয়ে বহাল থাকলেও এদেরকে বদলি করা হচ্ছে না। এ নিয়ে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে অনলাইনে রিপোর্ট প্রকাশিত হলেও তা কার্যকর করা হচ্ছে না। এ দিকে ৮ বিমানবন্দর চালু ু নিয়ে দৌাড়ঝাপ করা হচ্ছে।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
