বেবিচক : আওয়ামী সরকার পতনের পরও আওয়ামী ঘরানার শমী কায়সারকে শাহজালালে আড়াই কোটি টাকার ২টি লাউন্ঞ নবায়ন : থার্ড টার্মিনালে শতাধিক দোকান বরাদ্দে নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ : নেপথ্যে সম্পত্তি শাখার ডিডি-এডি-এও- কেরানি

স্টাফ রিপোর্টার: পতিত সরকারের ঘনিষ্টরা এখনও বেবিচকে বহাল। এরা শতাধিক সদস্য সিন্ডিকেড গড়ে তুলে আওয়ামী ঘরানার লোকদের পুনর্বাসিত করার উদ্যোগ নিয়েছে। ডিডি রাশিদা লান্ঞিত হলেও আরো বহু রাশিদা বিদ্যমান।এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। চেয়ারম্যান সাদিকুর রহমানের বিদায় নেয়ার আগে নয়া চেয়ারম্যান দায়িত্ব গ্রহণের আগে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, শাহজালাল বিমানবন্দরে বেশ কিছু দোকানপাট ,লাউন্ঞ নবায়ন করা হয়েছে। গত ১৪ আগস্ট এবং এর আগে এসব কর্মকান্ড সাধন করা হয়েছে। এর নেপথ্যে যার নাম আলোচিত হচ্ছে তিনি সদস্য অপারেশন। তিনি আবার প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমানের ভাগিনি জামাই। আগের চেয়ারম্যান তার ব্যাসমেট হওয়ার সুবাধে বেশকিছু সিদ্ধান্ত নিতে উদ্যোগি হন, তবে সব সাধন হয়নি।
আওয়ামী ঘরানার শমী কায়সারের শাহজালাল বিমানবন্দরে আড়াই কোটি টাকার ২টি লাউন্ঞ নবায়ন করা হয়েছে বলে জানা যায়। গত ১৪ আগস্ট এ নবায়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। এর নেপথ্যে কাজ করেছেন সম্পত্তি শাখার উপপরিচালক সাধন কুমার মোহন্ত, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মিজানুর রহমান এবং সহকারি সম্পত্তি কর্মকর্তা আলামিন। কয়েক লাখ ঘুষ নিয়ে এ নবায়ন কাজ করা হয়েছে বলে জানা যায়। সদস্য অপারেশন এ নবায়ন কাজে সংশ্লিষ্ট বলেও সূত্রে জানা যায়। নয়া চেয়ারম্যানকে পাশকাটিয়ে আওয়ামীলীগ ঘরানার লোকদের প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব নিয়েছেন এ কর্মকর্তা।
শমী কায়সার শাহজালালে ২টি লাউন্ঞ মাত্র ৬০ লাখ টাকায় বেবিচক থেকে বরাদ্দ নিয়ে সিটি ব্যাংককে ২ কোটি ৬০ লাখ টাকায় ভাড়া দিয়েছে বলে জানা যায়। তার মাসে লাভ ২ কোটি টাকা।
শমী কায়সার যেখানে ই-কমার্স থেকে পদত্যাগ করেছন, তার অফিসকক্ষ তালাবন্ধ বলে জানা যায়, গ্রেফতার আতংকে রয়েছেন সেখানে শাহজালাল বিমানবন্দরে বেবিচক কর্মকর্তারা অতি উৎ’সাহিত হয়ে তার নামে বরাদ্দকৃত ২ টি লাউন্ঞ বরাদ্দ বাতিল না করে উল্টো নবায়ন করা হলো।
এ দিকে সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেননের ঘনিষ্ঠ আওরঙ, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের মেয়ের জামাইর নায়ক মাহফুজের নামে শাহজালাল বিমানবন্দরে বরাদ্দকৃত লাউন্ঞ নবায়নের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা যায়।
এ দিকে থার্ড টার্মিনালে প্রায় শতাধিক দোকান বরাদ্দ নেয়ার নামে হাজার হাজার আবেদন নিয়ে প্রতি আবেদনকারির থেকে ৩ লাখ টাকা করে হাতিয়ে নেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। এর নেপথ্যে রয়েছেন উপপরিচালক (সম্পত্তি) সাধন কুমার মোহন্ত, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মিজানুর রহমান এবং সহকারি সম্পত্তি কর্মকর্তা আলামিন। বরাদ্দ নিতে আগ্রহীদের বলা হয়েছে, চেয়ারম্যান বরাবর একটা আবেদন দিয়ে রাখেন, যখন বরাদ্দ দেয়া হবে তখন দোকান পাবেন।
বেবিচকের সদস্য ফ্লাইট সেফটি জিয়া কি আত্মগোপনে: বেবিচকের এক সময়ের দোর্দন্ড প্রতাপশালী- যাকে বেবিচক চেয়ারম্যান এমনকি এয়ার চীফ পর্যন্ত সমীহ করে চলতেন, কারন তিনি দীর্ঘসময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এডিসির দায়িত্ব পালন করেছেন ,বাড়ি গোপালগন্ঞে-সেই গ্রুপ ক্যাপ্টেন জিয়া এখন কোথায়? তিনি কি আত্মগোপনে। মেয়েলি স্বভাবের জন্য তার সংসার নাকি ভেংগেছে।বউ-এর সাথে সংসার করছেন না বলেও শোনা যায়। শমী কায়সার তার ঘনিষ্ঠ বান্ধবী বলেও শোনা যায়।