স্টাফ রিপোর্টার : বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ-বেবিচকে এই প্রথম ‘এয়ার কমোডরকে’ চেয়ারম্যান নিয়োগ দেয়া হলো। ইতিপূর্বে এয়ার ভাইস মার্শাল পদধারিদের এ পদে নিয়োগ দেয়া হতো, এবার দেয়া হলো এয়ার কমোডর পদধারিকে।
বর্তমান চেয়ারম্যান বেবিচকে ইতিপূর্বে মেম্বার অপসের দায়িত্ব পালন করে গেছেন।ইতিপূর্বে তিনি বেবিচককে অনেক ভাল কাজ উপহার দিয়ে গেছেন, কর্মচারীরাও তার প্রতি সন্তুষ্ট। যার জন্য কর্তৃপক্ষ তাকে দ্বিতীয়বার চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়ে আসলেন। তার আমলে থার্ড টার্র্মিনালের কাজ সমাপ্তকরনসহ সব এয়ারপোর্টের উন্নয়ন কাজ অরো তীব্রগতিতে চলবে বলে অনেকের ধারণা।
কিন্ত বিগত আমলের অনিয়ম-দুর্নীতি , কথিত ভায়রা ভাইর ঠিকাদারি ব্যবসা , তদবির বাণিজ্য, গণমাধ্যম কর্মীর হোটেল ব্যবসা, বিএনপি-জামায়াত, বিলুপ্ত ফ্রিডম পাটির লোকজনদের নামে কোটি কোটি টাকার ঠিকাদারি কাজ , বিদায়ী চেয়ারম্যানের নাম ভাংগিয়ে যারা চুনোপুটি থেকে কোটিপতি বনে গেছেন, তারা কেউ কেউ আমেরিকা পাড়ি জমিয়েছেন, কেউ আমেরিকা পাড়ি জমানোর চেষ্টা করছেন, পদোন্নতির ফাইলগুলো , ডিপিসি , দুর্নীতিবাজদের পদোন্নতি , অনিয়ম-দুর্নীতি তদন্ত রিপোর্ট আলোরমুখ না দেখা সিলেট এয়ারপোর্টের ম্যানজারকে পরিচালক পদ কনফার্ম করার প্রক্রিয়া কি ফাইনাল হবে?, বিতর্কিত ডিডি রাশিদা সুলতানার পরিচালক পদে পদোন্নতি কি ফাইনাল হবে, পিএসটু চেয়ারম্যান সোহেল কামরুজ্জামানের ডিপিসি , তাকে এখন পরিচালক পদে পদোন্নতি দেয়ার প্রক্রিয়া , কিন্ত ডিডি ইকরামউল্লাহ তার সিনিয়র, সিনিয়রকে ডিংগিয়ে জুনিয়রকে পদোন্নতি দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে, ১২জন ডিডিকে পরিচালক করা, ১২জন এডির মধ্যে হাতেগোনা ৪/৫ জন এডিকে ডিডি করা- এদের মধ্যে কামরুজ্জামান, ডিডি চলতি দায়িত্ব, প্রকিউরমেন্ট হিসা, ওয়াহিদুজ্জামান, ডিডি চলতি দায়িত্ব, এটি ফ্লাইট সেফটি, আনোয়ার হোসেন, ডিডি চলতি দায়িত্ব, এএনএস, ফ্লাইট সেফটি, ফিন্যান্সের রফিকুল ইসলামের নাম সবার মুখে মুখে । এর মধ্যে কামরুজ্জামান, ওয়াহিদুজ্জামান, আনোয়ার হোসেন বিতর্কিত ডিডি রাশিদা সুলতানার ডানহাত- বামহাত। এরা আবার সিলেট থেকে সিএটিসিতে যোগদান করা একজন এডির পেছনে লেগে আছে বলে জানা যায়।
৪০ কোটি টাকার গাড়ির চালান : ৪০ কোটি টাকার গাড়ির চালান নাকি শাহজালালে আটকে আছে, খালাস দিচ্ছে না বেবিচক। এফসেপ্টমেন্ট কমিটি এবং বিমান মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্ম সচিব এ ব্যাপারে এনওসি দিচ্ছে না। বিদায়ী চেয়ারম্যান নাকি এ চালান বাতিল করে গেছেন।
ডবল স্ট্যান্ডার্ড : বেবিচকে প্রেষণে আসা একজন যুগ্ম সচিব ডবল দায়িত্ব করছেন। তিনি সদস্য (অর্থ) এবং সদস্য (প্রশাসন) দুটি কিপয়েন্টে দায়িত্ব পালন করছেন। সদস্য ( প্রশাসন) পদে প্রেষণে একজন যুগ্ম সচিবকে বদলি করা হলেও তিনি শেষাবধি বেবিচকে যোগদান না করায় সদস্য (অর্থ) সদস্য (প্রশাসনের) দায়িত্ব পালন করছেন। আর এ সুযোগে প্রশাসনের এ কর্মকর্তা দুহাতে কামিয়ে নিচ্ছে বলে বেবিচকে ব্যাপক গুনজন রয়েছে। ইতিপূর্বে এই কর্মকর্তা ঠিকাদারি কাজের ফাইলে সাইট পরিদর্শন করুন, কাজের মান যাচাই করুন মন্তব্য করলেও তিনি এখন সরাসরি জুন ক্লোজিংয়ে প্রতি ঠিকাদারি ফাইল থেকে গুণে গুণে ঘুষ হাতিয়ে নিয়ে ফাইল ছাড়ছেন বলে ভুক্তভোগি ঠিকাদাররা জানান। তার পিএ হাফিজ স্যারের নামে এ ঘুষ ওঠাচ্ছেন বলে জানা যায়। ইতিপূর্বে পিএ হাফিজের বিরুদ্ধে ‘ঘুষ ছাড়া ফাইল নড়েচড়ে না’ শিরোনামে পত্রিকায় রিপোর্টও প্রকাশিত হয়েছিল। কিন্ত পিএ হাফিজ এখনও মেম্বার অর্থ-এর পিএগিরি করছেন, তাকে ওখানে সরায় এমন সাধ্য কার?
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
