স্টাফ রিপোর্টার : বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ- বেবিচকে প্রশাসনিক ক্যাডরের দুই কর্মকর্তার বিএনপি মিশন শুরু হয়েছে। এই দুই ক্যাডার কর্মকর্তার রুমে বিএনপির এক নেতার সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা রুদ্ধদ্বার বৈঠক । এতে করে বেবিচকে প্রশাসনিক কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। কিন্ত আলাপচারিতা জমে ওঠে। রুদ্ধদ্বার বৈঠকের মধ্যমনি লঘুদন্ড দেয়া সেই বিতর্কিত ডিডি রাশিদা বলেও শোনা যায়। অথচ রাশিদার বিরুদ্ধে ১ ডজন তদন্ত প্রতিবেদন প্রশাসনিক ফেভারে এতোদিন আলোরমুখ দেখেনি। যখন সদস্য প্রশাসনকে বেবিচক থেকে বদলি করা হলো ঠিক তখনই ডিডি রাশিদার কপালে জুটলো লঘুদন্ড । এতোদিন যে, তার ফাইল প্রশাসনিক ফেভারে ফেভার করা হচ্ছিল- তা স্টষ্ট হয়ে গেল। এতে করে সদস্য প্রশাসনও যাবার আগে অন্তত: বলতে পারবেন যে, রাশিদাকে তো শাস্তি দেয়া হয়েছে।
ওই রুদ্ধদ্বার বৈঠক থেকে আরেক ক্যাডার কর্মকর্তাকে বলা হচ্ছিল, বিএনপির একজন বড়মাপের নেতা এসেছেন, আপনার ওখানে নিয়ে আসছি অথবা আপনি চলে আসুন।
খোজখবর নিয়ে জানা যায়, বিএনপির ওই বড়মাপের নেতা ’৯১ সালে প্রথম এমপি, উপমন্ত্রী, বর্তমানে বিএনপির একজন পোড়খাওয়া নেতা। তিনি উত্তর-পশ্চিম একটি জেলার দায়িত্বে আছেন। এবার নির্বাচনে হয়তো তিনি এমপি হতে পারেন, এমপি হলে কপালে মন্ত্রিত্বও জুটতে পারে বলে অনেকে আশাবাদী।
এ দিকে ছাত্রদলের এক্স নেতা, বর্তমানে বিএনপির আলোচিত নেতার সুপারিশে ছাত্রলীগের এক ক্যাডার কর্মকর্তাকে নাকি পদোন্নতি দেয়া হয়েছে বলে শোনা যায়। তবে এ ক্ষেত্রে সদ্য বদলি হওয়াসদস্য প্রশাসনকেও ম্যানেজ করতে হয়েছে। কারণ ওণার নেকনজর ছাড়া এই আপত্তিজনক পদোন্নতি সম্ভব হতো বলে মনে হয় না। ফলে ওই কর্মকর্তা জীবনের সব ইনকাম ঢেলে দিয়ে নাকি অনেকটাই ফতুর হয়ে গেছেন।
বেবিচকে আওয়ামী দোসররা এখন বিএনপি দোসর। বিএনপির হাতেগোনা কয়েকজন নেতা বেবিচকে আসছেন, কর্মকর্তারা এদের নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করছেন, মহড়া দিচ্ছেন, চা-চক্র হচ্ছে। এদের আওয়ামী দোসর থেকে বিএনপি দোসরতার ফলে খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে সদ্য বেবিচক চেয়ারম্যানকে প্রত্যাহার করে প্রঙাপন জারি করা হয়েছে।
রাশিদার লঘুদন্ডই কি যথেষ্ট? বিতর্কিত ডিডি রাশিদার বয়স মার্জনায় ৩২ বয়সের ওপরে বয়স অতিক্রান্ত হবার পরও বোবিচকে নিরাপত্তা বিভাগে চাকরি, জন্ম সনদ, এনআইডি, পাসপোর্টে ভিন্ন বয়স, চোরাচালান, এসিআর প্রশ্নবিদ্ধ, উর্ধতন কর্মকর্তার কমান্ড অমান্য, একজন এডির কাছে ঘুষ চাওয়া, না দেয়ায় তাকে শারিরিকভাবে লান্ঞিত করার হুমকির অভিযোগ, বদলির পরও ঈশ^রদিতে যোগদান না করা –এসবরে প্রতিটিার তদন্ত কমিটি গঠন, কিন্ত তদন্ত ফাইলবন্দী করে রাখা, প্রশাসনিক ফেভারে প্রভাবিতকরণ, অবশেষে লঘুদন্ড প্রদান। প্রশ্ন ওঠেছে রাশিদার লঘুদন্ডই যথেষ্ট, তিনি কি পেনসন নিয়ে বাড়ি যেতে পারবেন?
এ দিকে সদস্য অথ’র বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পর এবার আবার সদস্য অপসের বিরুদ্ধেও অভিযোগ ওঠেছে। বেবিচক চেয়ারম্যান নাকি অপসের কর্মকান্ডকেই প্রাধান্য দিয়ে থাকেন।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
