স্টাফ রিপোর্টার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ- বেবিচকে চলতি দায়িত্বের প্রধান প্রকৌশলীর ৬ মাসের মেয়াদ শেষ হবে আগামি ৪ সেপ্টেম্বর।
এ দিকে সিনিয়রকে ডিংগিয়ে জুনিয়রকে প্রধান প্রকৌশলী করায় অধিকার ক্ষুন্ন হওয়ায় উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন মামলা করেছেন এক তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী। আদালত থেকে জবাব চেয়ে নোটিশ জারি করা হয়েছে।
বিষয়টি কতর্ৃৃপক্ষকে ভাবিয়ে তুলছে। এখন কাকে করা হবে পরবর্তী বেবিচকের প্রধান প্রকৌশলী, নাকি যিনি দায়িত্বে আছেন তার মেয়াদ আরো ৬মাস বৃদ্ধি করা হবে। তবে বিষয়টি মন্ত্রণালয় এবং আদালতের দিকেই যাচ্ছে।
এবার আবার প্রধান প্রকৌশলী হবার দৌড়ে আছেন ৩ তত্বাবধায়ক প্রকৌশী, একজন ইএম-এর বাকিরা সিভিলের। এরমধ্যে সিভিলের একজনের চাকরি আছে আর ৪ মাস।
বেবিচকের বোর্ড মিটিংয়ে বিষয়টি অমীমাংসিত রয়েছে। ফয়সালা আসবে মন্ত্রণালয় ও আদালতের মাধ্যমে–অনেকে এমনটাই আশা করছেন।
সেই পকৗশলী এখন সদর দপ্তরে : পদের সাথে সাংঘর্ষিক ইএম-এর সেই প্রকৌশলীকে পদোন্নতি দিয়ে এসডি করে সদর দপ্তরে নিয়ে আসা হয়েছে। তিনি ৮০’র দশকে নিয়োগ পান উপসহকারি প্রকৌশলী ইলেকট্রিক/ইলেকট্রনিক্স হিসেবে। কিন্ত বর্তমানে তিনি সহকারি প্রকৌশলী ইএম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, এ পদ থেকেই উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী-এসডি করা হয়েছে, তিনি ইএম-৪-এর দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি নাকি সিনিয়রদের কমান্ড মানতে নারাজ। ৪ বার বদলির পর তিনি ৫মবারে ঢাকার বাইরে ৬ মাস ঘুরে এলেন। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত নাকি ধামাচাপা পড়েছে বলে জানা যায়।
প্রকৌশলী সুমনের ইস্টিমেট বাণিজ্য! ইএম-এ সদর দপ্তরে বসা উপসহকারি প্রকৌশলী ইএম সুমনের ইস্টিমেট বানিজ্যের কথা বেবিচকে চাউড় হয়ে গেছে। ঠিকাদাররা বলে বেড়ান প্রকৌশলী সুমন ঘুষ ছাড়া ঠিকাদারি কাজের ইস্টিমেট/প্রাক্কলন করেন না। ঠিকাদারদের থেকে ঘুষ হাতিয়ে নিয়ে ইস্টিমেট করে থাকেন বলে ঠিকাদাররা জানান। তিনি ইএম-২-এর আন্ডারে চাকরি করছেন। অনেক ক্ষেত্রে তিনি নির্বাহী প্রকৌশলীকেও থোরাইকেয়ার করে থাকেন বলে অনেকে জানান।
ক্ষেত্র ছাড়া প্রকৌশলী আবুল হোসেন : এক আবুল হোসেনকে একাধিক বিমানবন্দরের দায়িত্ব দেয়া হলেও ক্ষেত্র ছাড়া সহকারি প্রকৌশলী ইএম সৈয়দ আবুল হোসেন। এ যেন ঢাল নেই, তলোয়ার নেই নিধিরাম সর্দার।
স্পাইসির মালিকদের হয়রানি! শাহজালালে একনামে দেশে এবং বর্হি বিশে^ পরিচিত স্পাইসি রেস্টুরেন্টের মালিকদের গত ১৫ বছরে হয়রানি করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। তারা ব্যবসায়িক সুনামে এখনও টিকে আছেন। বেবিচকের ক্রাইটেরিয়া ফুলফিল করে ব্যবসা করলেও তাদের উচ্ছেদের পায়তারা করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাবে প্রভাবিত হয়ে এদেরকে হয়রানি করা হয়েছে বলে জানা যায়।
একজন সংবাদকর্মী জানান, স্পাইসির মালিক আমার ক্লাশমেট, খুব ভাল ছেলে, তার অপরাধ তিনি বিএনপি মাইনডেড।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
