স্টাফ রিপোর্টার : বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের বিতর্কিত উপপরিচালক রাশিদা সুলতানাকে পাবনার ঈশ্বরদী বিমানবন্দরে বদলি করে প্রত্যাহার করার পক্ষকাল পার হলেও তিনি এখনও যোগদান করেননি, কোন মেডিকেল সনদও দেননি।
এ দিকে রাশিদা সুলতানার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বেবিচক চেয়ারম্যানের দাপ্তরিক আদেশ মেম্বার এডমিনের দপ্তরে পড়ে আছে, আমলে নেয়া হচ্ছে না।
এ দিকে ডিডি রাশিদা পতিত স্বৈরাচরের দোসর হয়েও অন্তর্বর্তী সরকারের নারী উপদেষ্টা শারমিন মুর্শিদকে দিয়ে তদবির করাচ্ছেন- বিষয়টি ফাস হবার পর তা আর কার্যকর হচ্ছে না। কারণ ডিডি রাশিদা একজন কট্রোর আওয়ামীলীগের লোক, যদিও তিনি সরাসরি দল করেন না। তার চাকরিও হয় বয়স মার্জনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে সাবেক মন্ত্রী রা,আ,ম ওবায়দুল মোক্তাদির চৌধুরির সুপারিশে মুক্তিযোদ্ধা কোটায়।
এবার সোহেল পিছিয়ে ইকরামউল্লাহ এগিয়ে : ৪ চেয়ারম্যানের আমল থেকে পিএসগিরি করা ডিডি সোহেল কামরুজ্জামান এবার দৌড়ে হেরে গেলেন। তার পরিচালক হবার সাধ মিটল না। দৌড়ে তাকে পিছনে ফেলে পরিচালক হয়ে গেলেন ইকরাম উল্লাহ। যদিও ডিডির প্রমোশনের সময় সিনিয়র ইকরাম উল্লাহকে পেছনে ফেলে জুনিয়র সোহেল তার আগে ডিডি পদে পদোন্নতি পান। এ ক্ষেত্রে চেয়ারম্যানের আর্শীবাদ ছিল সোহেলের ওপর।
আওয়ামী দোসরকে পরিচালক করা হলো! আওয়ামী দোসর, আওয়ামী সরকারের সাবেক আপন দুই ভাই প্রভাবশালী মন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত এবং ড. একেএম আব্দুল মোমেনের শেল্টারে থাকা, এক পোস্টিংয়ে এক বিমানবন্দরে ১৬ বছর অতিক্রান্ত, তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ আমলে না নিয়ে সেই হাফিজ আহমেদকে পরিচালক পদে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের একজন উপসচিব যিনি সিভিল এভিয়েশনের দায়িত্বে আছেন তিনি আপত্তি তুললেও তার আপত্তি আমলে না দিয়ে বেবিচক পদোন্নতি বোর্ড সিলেট এয়ারপোর্ট ম্যানেজার হাফিজকে পরিচালক পদে পদোন্নতি দেয়া হলো। বোর্ডের সব সদস্য পদোন্নতির দাপ্তরিক ফাইলে সই করে মন্ত্রণালয়ের ফাইল পাঠায় উপসচিবের সাক্ষরের জন্য , ওই উপসচিব অনেকটা বাধ্য হয়েই হাফিজের পদোন্নতির ফাইলে সাক্ষর করেন বলে জানা যায়।অফিস আওয়ার শেষ হয়ে যাবার পর রাত পর্যন্ত গড়ায়, পরে মন্ত্রণালয় থেকে ফাইল আসে বেবিচক দপ্তরে। পরে ওই রাতেই হাফিজ আহমেদকে সিলেটেই পোস্টিং দেয়া হয়।
এর আগের যাত্রায় বেগম সেলিনা আকতার বানুর সময়ে( যার বিদায় অনুষ্ঠানে পদোন্নতির খবর আসে) গত ০১-১৫ জুলাই তার পদোন্নতি আটকে দেয়া হলেও এবার ২৫ আগস্ট তাকে পদোন্নতি দেয়া হলো। পদোন্নতি দিয়ে হাফিজ আহমেদকে আবার সিলেট বিমানবন্দরের পরিচালক করা হলো, তাকে অন্যত্র বদলিও করা হলো না। এতে করে হাফিজ আহমেদ আরো বেপোরোয়া হয়ে ওঠতে পারেন, দুর্নীতির সাথে নিজেকে আরো বেশি সম্পৃক্ত করতে পারেন বলে অনেকে মনে করেন। কিন্ত বেবিচক চুপচাপ
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
