বেবিচক : বিদায় অনুষ্ঠানে এলো সেলিনার পদোন্নতির খবর, ব্যাকডেটে সই, রাশিদার চিল্লা-পাল্লা, সাউটিং, সটকে পড়লেন পরিচালক মানব সম্পদ

স্টাফ রিপোর্টার : বেবিচকে ডিডি সেলিনা আকতার বানুর চাকরির শেষ দিনে পিআরএল-এ যাবার প্রাক্কালে বিদায় অনুষ্ঠান চলছিল, তাকে কি বলে সম্বোধন করা হবে ডিডি না ড্রাইরেক্টর-এ নিয়ে অনুষ্ঠান পরিচালকরা ছিলেন বিব্রত, ঠিক এই সময় বিকেলে এলো ডিডি সেলিনা আকতার বানুর পরিচালক পদে পদোন্নতি খবর, তাকে পিআরএল-এ যাবার দিন পরিচালক পদে পদোন্নতি দেয়া হলো। গত ১৬ জুলাই বেবিচকে এমনই ঘটনা ঘটেছে। তাকে চেয়ারে থাকার একদিন আগেও পদোন্নতি দেয়া হলো না। খবর সিএএবি সংশ্লিষ্ট সূত্রের।
এ দিকে রাশিদা সুলতানাকে পদোন্নতি দেয়া হয়নি- এ খবর পেয়ে রাশিদা ছুটে যান প্রশাসনে। সেখানে গিয়ে চিল্লা-পাল্লা, চিৎকার-চেচামেচি করতে থাকেন। অবস্থা বেগতিক দেখে পরিচালক মানব সম্পদ তার দপ্তর থেকে আগেই সটকে পড়েন।কর্মচারিরা তাকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্ত তিনি আরো উত্তেজিত হয়ে যান।
পদোন্নতির অর্ডার হলো ১৬ জুলাই , সই করা হলো ১লা জুলাই। তাহলে কেন ১ লা জুলাই পদোন্নতি দেয়া হলো না? কার জন্য থেমে ছিল এ পদোন্নতি।
জানা যায়, পদোন্নতি বোর্ডে যারা অছেন তারা কেউ কেউ সীটে সই করেননি, তাই পদোন্নতি আটকে যায়। কালকে (গত ১৬ জুলাই ) তড়িঘড়ি করে সবাই সই করেন ব্যাকডেটে।
এ যাত্রায় যাদেরকে পরিচালক পদে পদোন্নতি দেয়া হলো তারা হলেন : সেলিনা আকতার বানু, মো. শামছুল হক, মো. কামাল মিয়া সরকার, আফরোজা নাজনীন সুলতানা, আবু সালে মোহাম্মদ খালেদ, মো. মোস্তাফিজুর রহমান।
অডিটের এবং অর্থের রফিকুল ইসলামকে এডি থেকে ডিডি করা হয়েছে। তিনি নাকি মেট্রিক পাস, মাধ্যমিকের গন্ডি পাস করা রফিকুলকে কিভাবে ডিডি ( উপপরিচালক) পদে পদোন্নতি দেয়া হলো তা নিয়ে বেবিচকে গুনজন চলছে। আরো ১ ডজন এডি ডিডির তালিকায় ছিল তাদেরকে ডিডি করা হয়নি। এ ক্ষেত্রে রফিকুল ভাগ্যবান বলা যায়। তার জন্য কলকাঠি নেড়েছে এক উর্ধতন কর্মকর্তা-যিনি তার দপ্তরের হেড।