মোট কত লাখ কোটি টাকার দুর্নীতি করলো হাসিনা! বিশ্বের কোন কোন দেশে রয়েছে তার সম্পদ?

ডেস্ক রিপোর্ট:একজন স্বৈরাচার হাসিনা বিগত ১৬ বছর দেশটাকে রীতিমতো চুষে খেয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের জনগণের লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা পাচার করে গড়েছেন অঢেল সম্পদ। ইতিমধ্যে বিশ্বের ৭টি দেশে ফ্যাসিস্ট হাসিনার সম্পদের প্রমাণ পেয়েছে আন্তর্জাতিক তদন্ত সংস্থাগুলো। বিএফআইইউ, দ্য স্টোলেন অ্যাসেট রিকভারি (এসটিএআর), ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্টি করাপশন কো-অর্ডিনেশন সেন্টার (আইএসিসিসি), যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস এবং ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর অ্যাসেট রিকভারি (আইসিএআর) বিশ্বের বিখ্যাত এই সংস্থাগুলো হাসিনার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে বাংলাদেশ ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, হংকং এবং কেইম্যান দ্বীপপুঞ্জে। ইতিমধ্যে দেশগুলোতে হাসিনার অঢেল সম্পদ থাকার প্রমাণও পেয়েছেন তারা।

সবমিলিয়ে বিশ্বের ৭টি দেশে হাসিনার সম্পদের পরিমাণ জানলে চোখ কপালে উঠবে আপনার। ফ্যাসিস্ট হাসিনা বাংলাদেশের মানুষের টাকা পাচার করে বিশ্বের এই ৭টি দেশে গড়েছেন ১ লাখ ২১ হাজার কোটি টাকার সম্পদ। সংস্থাগুলোর প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনে এমনটিই জানা যাচ্ছে। যার মধ্যে আবার বাংলাদেশে ২ হাজার কোটি টাকার সম্পদ আটক করা হয়েছে এই ফ্যাসিস্টের।

২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট হাসিনা চোরের মতো লেজ গুটিয়ে পালিয়ে গেলে হাসিনার নামে বাংলাদেশের আদালতে প্রায় আড়াইশোটি হত্যা মামলা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ইতিমধ্যে হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করেছে। হত্যা মামলার পাশাপাশি হাসিনা ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে দুর্নীতিসহ অথর্ জালিয়াতির ৫টি অভিযোগ আনা হয়। যার মধ্যে বাংলাদেশ ছাড়াও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হাসিনার অর্থ পাচার করে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগও রয়েছে।

হাসিনা তার পরিবারের বিভিন্ন সদস্যদের নামে সংস্থার আড়ালে এসব অর্থ বিদেশে পাচার করেছেন বলেই জানা যায় তদন্ত সংস্থাগুলোর প্রতিবেদনে। যার মধ্যে তার বাবা শেখ মুজিবুর রহামন, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, ছেলে সজিব ওয়াজেদ জয় প্রায় প্রত্যেকের নামেই আলাদা আলাদা সংস্থা রয়েছে। এসবের আড়ালেই মূলত হাসিনা করতো অর্থপচারের স্ট্যান্টবাজি।

এদিকে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানার মালিকানাধীন লন্ডনের একটি বাড়ি ফ্রিজ করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি (এনসিএ) এটি জব্দ করেছে। হাসিনা আর তার পরিবারের বিরুদ্ধে এবার পুরো বিশ্বজুড়ে যেভাবে তদন্ত শুরু হয়েছে তাতে করে অবৈধ সম্পদগুলো খুব বেশি দিন হাসিনা ধরে রাখতে পারবেন না বলেই মন্তব্য বিশেষজ্ঞদের।

হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করলেও প্রতিবেশি ভারত যেনো কিছুতেই ফেরত দেবে না তাকে। বাংলাদেশের সাথে ভারতের বন্দিবিনিময় চুক্তি থাকলেও হাসিনাকে ফেরতে দেওয়ার কোন অগ্রগতি যেনো নেই দাদাবাবুদের।