শাহজালালে ১১ কোটি টাকার স্বর্ন পাচার : প্রকৃত স্মাগলার হাওয়া হয়ে গেল: চুনোপুটিদের নিয়ে টানাটানি

নিউজ ডেক্স : শাহজালাল বিমানবন্দরে ঢাকা কাস্টমস হাউজের কুরিয়ার শুল্কায়ন গেট দিয়ে কাস্টমস সহায়তায় ১১ কোটি টাকার স্বর্ন পাচারের ঘটনায় প্রকৃত পাচারকারিরা বিদেশে পালিয়ে গেছে বলে সংশ্ষ্টি সত্রে জানা যায়। ২ চুনোপুটি- যারা ঘটনার সাক্ষি হতে পারতো তাদেরকে গ্রেফতার করে, মামলায় জড়িয়ে চুনোপুটিদের নিয়ে টানাটানি করছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন।
খোজখবর নিয়ে এবং সংশ্লিস্ট সূত্র জানায়, গত ১০ ফেব্রুয়ারি ইষ্টার্ণ এ্যাপারেলস লি. চট্রগ্রাম, কর্নফুলি ইপিজেড নামে সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক গার্মেন্টস এক্সসরিজ আমদানি করে।এসিএস কুরিয়ার খাচায় উক্ত পণ্য বিমান থেকে নামার জমা করা হয়।মাসফি ইন্টারন্যাশনাল সিএন্ডএফ- এর মাধ্যমে পণ্য খালাস করা হয় , ্ ২০ ফেব্রুয়ারি খালাসকৃত পণ্য এসএ পরিবহনে চট্রগাম পাঠানো হয়। ২২ ফেব্রুয়ারি গার্মেন্টস কর্তৃপক্ষ পণ্য বুঝে পেয়ে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দেয়-যা বিমানবন্দর থানায় মামলার নথিতে জমা আছে।
কিন্ত ঘটনার দিন গত ২৭ ফেব্রুয়ারি উক্ত গার্মেন্টস খালাসের ডকুমেন্ট অর্থাৎ ফ্রেক ডকুমেন্ট দিয়ে এসিএস কুরিয়ার খাচার মালিক কাস্টমস এক্সামিন/এসেসমেন্টে পণ্য খালাসেলর সময় কাস্টমসের গোয়েন্দা বিভাগ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৯৬টি স্বর্নেরবার যার মুল্য ১১ কোটি টাকা আটক করে । এ সময় এসিএস খাচার ২ কর্নধার মামুন ও মাহবুব প্রশাসনের নাকের ডগায় দৌড়ে পালিয়ে যায়।্
প্রশ্ন ওঠেছে কাস্টমসের এতোগুলো ধাপ পার হয়ে- অর্থাৎ পণ্য স্কানিং, এসেসমেন্ট, এক্স্রামিন, ট্যক্স নিধারণ হয়ে ব্যাংকে ট্যাক্সের টাকা জমা হয়ে কিভাবে পণ্য খালাস পর্যায়ে গেল এবং তা ধরা গেল- তা রহস্যজনক। কাস্টমসের সংশ্লিষ্ট এসি/ডিসি, রাজস্ব কর্মকর্তা, সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তা পরিক্ষা-নীরিক্ষা, কায়িক পরিদর্শনের পরও কেন সোনা ধরা পড়লো না ,সোনা ধরা পড়লো ডেলিভারি গেটে পণ্য খালাসের সময়!
সেখানে ৫ গ্রাম পণ্য খালাস হলেও তা এসি/ডিসি, রাজস্ব, সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তাদের যথাযথ পরিক্ষা-নীরিক্ষায় এবং পণ্যের কায়িক রিপোর্টের পর তা খালাস হয় সেখানে এতোবড় সোনার চালান কিভাবে খালাস হতে গেল?
ঘটনার সময় সিএন্ডএফ মাসফি ইন্টারন্যাশনালের কর্মচারি ফিরোজ ঘটনা শুনে দর্শকের মতো দেখার জন্য গেটে তাকে গ্রেফতার করা হয়,তার জবানবন্দি নেয়া হয়।্ এসিএসের খাচার কর্মচারি নিয়ামতকেও গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় বিমানবন্দর থানায় কাস্টমস বাদি হয়ে মামলা করেছে।
এ দিকে ঘটনার পর পরই এসিএস থাচার মালিক মাহবুব,মামুন কানাডা পালিয়ে যায়। কানাডা থেকে তার এক ভাইয়ের সাথে ফেনালাপ হয়েছে বলৈ সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়। ৃ