শাহজালাল বিমানবন্দরের নিরাপত্তা অরক্ষিত করে সিলেট ওসমানি বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় জোর দিচ্ছে সিএএবির প্রশাসন! সদস্য নিরাপত্তাও বদলি : ম্যানেজার হাফিজ এখনও বহাল

বিশেষ সংবাদদাতা : দেশের প্রধান বিমানবন্দর শাহজালাল বিমানবন্দরের নিরাপত্তাকে অরক্ষিত করে সিলেট ওসমানি বিমানবন্দরের নিরাপত্তায়  নজর দিচ্ছে সিএএবির প্রশাসন। ৪ জন নিরাপত্তা সুপার এবং একজন ডিএসও কর্মরত থাকার পরও শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে আরো ২ নিরাপত্তা সুপারসহ ৯ নিরাপত্তা রক্ষিকে সিলেট বিমানবন্দরে বদলি করা হয়েছে। গত ৯ সেপ্টেম্বর এ প্রশাসনিক আদেশ জারি করা হয়। প্রশাসন সহকারি পরিচালক আবিদুর রহমান স্বাক্ষরিত এ আদেশ জারি করা হয়। প্রশ্ন ওঠেছে এতে কি দুই বিমানবন্দরের নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট বিষয় জড়িত নাকি কতিপয় কর্মকর্তার স্বার্থ জড়িত? এতে কলকাঠি নাড়ছেন সিএএবির অর্গনোগ্রামের বাইরে লাখ টাকার ওপরে বেতভাতাধারি একজন নিরাপত্তা কনসালটেন্ট এবং এফসেকের ২ জন গ্রুপ ক্যাপ্টেন। তাদের সুপারিশের কথাও শোনা যায়। ওনারা নাকি সিএটিসিতেও মাতাব্বরি করে থাকেন। সিএএবিতে ৬২ জন নব নিয়োগকৃত নিরাপত্তা কর্মীর সিএটিসির বাইরে সিলেটে বিমান বাহিনী ঘাটিতে ট্রেনিং করানোর ব্যাপারে ওই কর্মকর্তাদের প্রশাসনিক খবরদারির কথা অনেকে বলে বেড়ান।এফসেকে কর্মরত দুই কর্মকর্তা নিরাপত্তারক্ষী ও সুপারদের বদলির ব্যাপারে সুপারিশ বা তালিকা করে থাকেন বলেও শোনা যায়।
এবার আবার শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে একযোগে ২ নিরাপত্তা সুপারসহ ৯ নিরাপত্তারক্ষীকে সিলেট বিমানবন্দরে বদলির ব্যাপারেও হাত রয়েছে। যাদেরকে বদলি করা হয়েছে তারা হলেন : নিরাপত্তা সুপার আহসান কামাল, নজরুল ইসলাম। ৯ নিরাপত্তারক্ষী হলেন : জিল্লুর রহমান,বাবুল চন্দ্র রায়,ইসমাইল দেওয়ান,মো. আ. করিম, মো. মানিকুল ইসলম, কাজি রাশিদুল ইসলাম,সাধন রনজন ক্রিপটার, শাহিনা আকতার ও ইসরাত জাহান। কাগজে-কলমে এদের চাকরি শাহজালালে দেখানো হলেও সংযুক্তি করা হয়েছে সিলেট বিমানবন্দরে।করোনাকালিন সময়ে এটা হয়রানিমুলক বদলি বলে ভুক্তভোগিরা জানান।
এ দিকে সদস্য নিরাপত্তা শহিদুজ্জামান ফারুকিকে গত ৩ সেপ্টেম্বর সিএএবি থেকে বদলি করা হয়েছে বলে জানা যায়।
অন্য দিকে আনসার সদস্যকে মারধরের ঘটনাসহ অন্যান্য আভ্যন্তরীন তদন্ত করার পর সিলেট বিমানবন্দরের ম্যানেজার হাফিজ উদ্দিন এখনও বহাল। তাকে ইতিপূর্বে সদর দপ্তরে ডেকে এনে তার জবানবন্দি নেয়া হয় বলে সিএএবির প্রশাসন সূত্রে জানা যায়।