শাহজালাল বিমানবন্দর : রাশিদার কুন্ঞে পুলিশের এসির হানা : থানায় জিডি : সিএএবি চেয়ারম্যান বরাবর অভিযোগ : প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তার নিরাপত্তা দেবে কে ?

বিশেষ সংবাদদাতা : নিজেকে শাহজালাল বিমানবন্দরের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা দাবিদার রাশিদা সুলতানার কাওলার স্টাফ কোয়ার্টারের কুন্ঞে গভীররাতে হানা দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের একজন এসি ( সহকারি পুলিশ কমিশনার), যিনি ডিএমপির শ্যামপুর জোনে কর্মরত। রাশিদাকে তার বাসার দরজা খোলার জন্য দরজায় লাথি পর্যন্ত দিয়েছে ওই এসি মফিজুর রহমান। দরজা না খোলায় ‘তোকে আজ শিক্ষা দেব’ (রাশিদা) উচ্চবাচ্য হটটকসহ অশালীন আচরণ এবং হুমকি প্রদান করেন- যা রাশিদা সুলতানা তার অভিযোগেই স্বীকার করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে ২৮ জুন গভীররাতে কাওলার সিএএবির স্টাফ কোয়ার্টারের সি-২/১ বাসায়। ঘটনার ২দিন পর গত ৩০ জুন ঘটনার স্ববিস্তারিত লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে সিভিল এভিয়েশন চেয়ারম্যান বরাবর। বিমানবন্দর থানার ওসিকে ঘটনার সময়ই তাৎক্ষণিকভাবে সেল ফোনে ঘটনা জানানো হয়েছে। কিন্ত ওসি তাকে রক্ষার জন্য ফোর্স পাঠাননি। এ ঘটনায় বিমানবন্দর থানায় জিডি করা হয়েছে। বিমান মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব জনেন্দ্র নাথকেও সেল ফোনে ঘটনা জানানো হয়েছে।
রাশিদা সুলতানা তার লিখিত অভিযোগে জানান, সিভিল এভিয়েশনের যোগাযোগ কর্মকর্তা মসিউর রহমানের নামে কাওলার স্টাফ কোয়ার্টারের সি-৪/১ বাসা বরাদ্দ দেয় সিএএবির সম্পত্তি বিভাগ। কিন্ত যোগাযোগ কর্মকর্তা মসিউরকে চট্রগ্রাম বিমানবন্দরে বদলি করা হলেও তার বরাদ্দকৃত বাসা বরাদ্দ বাতিল করা হয়নি। কাওলার স্টাফ কোয়ার্টারের তার ভায়ের বাসায় থাকেন ডিএমপির শ্যামপুর জোনের এসি মফিজুর রহমান।
রাশিদার কুন্ঞে কেন পুলিশের এসি হানা দিলেন- তা তদন্ত চলছে। সিএএবির সদর দফতরে বিষয়টি চাউড় হয়ে গেছে।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে উপপরিচালক (সম্পত্তি) মো. মিজানুর রহমান জানান, কে ঘটনার নায়ক আর খলনায়ক তা তদন্ত করলেই বের হয়ে যাবে।
রাশিদা সুলতানা জানান, মফিজুর রহমান সরকারের একজন দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা হওয়া সত্বেও সম্পূর্ন নিয়ম বহির্ভুতভাবে সিএএবির সরকারি কোয়ার্টারে বসবাস করছেন এবং আমার বাসায় গভীররাতে এসে অসদাচরণ এবং হুমকি প্রদান করায় আমি মারাত্মকভাবে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।