সিভিল এভিয়েশন : ৩ বার বদলির পরও সিএটিসির ভান্ডার কর্মকর্তা হিরা বহাল : ১৭ বস্তা ফাইল গায়েব, তদন্ত কমিটির রিপোর্ট আলোরমুখ দেখল না: নাটেরগুরু মিয়াজি : ২৬০ ফান্ডের টাকা নয়ছয়!

স্টাফ রিপোর্টার : সিভিল এভিয়েশন ট্রেনিং সেন্টার ( সিএটিসি)তে কর্মরত ভান্ডার কর্মকর্তা সৈয়দা আশরাফি হিরাকে তিন তিন বার বদলির পরও কোন খুটির জোরে তিনি সিএটিসিতেই বহাল- তা অনেককে ভাবিয়ে তুলেছে। নাকি নামকাওয়াস্তে কাগজে-কলমে বদলি দেখিয়ে পুরণো কর্মস্থলেই রেখে দেয়া হচ্ছে- যাতে প্রশ্ন ওঠলে বলা যায়- তাকে তো ৩ বার বদলি করা হয়েছে। সিএটিসির পরিচালক তাকে কেন ধরে রেখেছেন- তাও ভাববার বিষয়।
এদিকে কোনরকম অফিস আদেশ ছাড়া ৩০ বছরের পুরনো ১৭ বস্তা নথিপত্র সিএটিসি থেকে গায়েব হওয়ায় ঘটনায় গঠিত তদন্ত রিপোর্ট আলোরমুখ দেখলা না। ঘটনার পর এডি মোহাম্মদ উল্লাহ ও এডি সাইদুজ্জামানকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়।
২৬০ ফান্ডের টাকা ভুয়া বিল- ভাউচারে উত্তোলন করে বিভিন্ন অজুহাতে খরচ করা হচ্ছে বলেও শোনা –যা তদন্ত করলেই বের হয়ে আসবে।এ ক্ষেত্রে ক্যাশিয়ার মজিদ ও হিসাবরক্ষক ভুমিকা পালন করছেন।
এখানে নিরাপত্তাও ঢিলেঢালা, নিরাপত্তা সুপার রুনুর নাকেরডগা দিয়ে ১৭ বস্তা নথিপত্র পার হয়ে যায়। আগে নিরাপত্তা সেকশনে রাতের পালায় কোন কোন নিরাপত্তা কর্মী ডিউটি না করেও হাজিরা খাতায় সই করে বেতন- ওভারটাইম উত্তোলন করে নিয়ে নিতেন- এটা কেয়ারটেকার রাজ্জাক যাবার পর বন্ধ হয়েছে বলে জানা যায়। এ ব্যাপারেও অভিযোগের পর তদন্ত হয়।
সিএটিসিতে নাটেরগুরু হিসেবে কাজ করছে মুজিবুর রহমান মিয়াজি নামের এক কর্মকর্তা, তিনি নাকি পরিচালকের ডানহাত, তিনি দীর্ঘদিন সিএটিসিতে কর্মরত, তাকে সিএটিসি থেকে বদলি করা হয় না। অনেক পরিচালক এখানে আসলেন আবার চলেও গেলেন –কিন্ত মিয়াজি সব পরিচালককে বিদায় করলেন নিজে বিদায় হলেন না।